শিরোনাম
◈ নারী টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকাপে সুন্দর সূচনা বাংলাদেশের ◈ বিনিয়োগ আকর্ষণে দেশের পাঁচ জেলায় নতুন শিল্পাঞ্চল গড়ার সিদ্ধান্ত ◈ বিশ্বকা‌পে জাপা‌নের প্রথম ম‌্যাচ নেদারল্যান্ডসের বিরু‌দ্ধে যে কো‌নো উপা‌য়ে জয় চান কোচ ◈ বিশ্বকা‌পে সেমিফাইনালের গ‌ণ্ডি পার হ‌তে চান মরক্কোর কোচ ◈ সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলা, রুলিং দিলেন স্পিকার ◈ দুবাইয়ে বেনজীর গ্রেফতার, এটি বাংলাদেশ পুলিশের একটি ঐতিহাসিক সাফল্য : সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার ◈ বিশ্বের ধনীতমদের একজন, বিলাসবহুল প্রাসাদ নয়, ছোট্ট ঘরেই থাকেন ইলন মাস্ক, কারণ কী? ◈ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ এখন বাংলাদেশ, বিশ্বের সবচেয়ে কম শান্তিপূর্ণ দেশ রাশিয়া ◈ ‘অত্যন্ত শক্তিশালী’ এআই মডেল নিয়ে সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র, চ্যাটজিপিটির প্রতিদ্বন্দ্বী ‘ক্লড ফেবল ৫’ স্থগিত, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন!

প্রকাশিত : ১৪ জুন, ২০২৬, ০৬:৩৩ বিকাল
আপডেট : ১৪ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

খাবারের সন্ধানে ঠাকুরগাঁও লোকালয়ে বন্য বানর, ভীতি কেটে মানুষের সাথে তৈরি হচ্ছে সখ্যতা

সীমান্তবর্তী জেলা শহর ঠাকুরগাঁও-এ গত প্রায় দুই বছর ধরে বন্য বানরের উপস্থিতি ক্রমেই বেড়ে চলেছে। শহরের আশ্রমপাড়া, মুন্সিপাড়া, গোবিন্দনগর, হাজীপাড়া ও ঘোষপাড়াসহ একাধিক আবাসিক এলাকায় এসব বানর নিয়মিত দেখা যাচ্ছে। খাবারের সন্ধানে তারা প্রায়ই ঢুকে পড়ছে মানুষের বাড়িঘর, এমনকি হাসপাতাল চত্বরেও।

স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ বন্য বানরের আগমনে শুরুতে এলাকায় কিছুটা ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। তবে সময়ের সঙ্গে সেই আতঙ্ক অনেকটাই কেটে গেছে। বর্তমানে অনেক জায়গায় বানর দেখলেই মানুষ কৌতূহল নিয়ে জড়ো হচ্ছেন, কেউ কেউ ছবি ও সেলফিও তুলছেন।

পূর্ব হাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন জানান, রোববার (১৪ জুন) ভোরে একটি বানর এলাকায় আসে। প্রথমে শিশুরা ভয় পেলেও পরে দোকান থেকে কলা ও পাউরুটি কিনে খাওয়ানো হয়। দুপুর পর্যন্ত এটি এলাকায় ঘুরে বেড়ায়।

শহরের বিভিন্ন এলাকায় এখন বানরকে খাবার খাওয়ানোর দৃশ্য সাধারণ হয়ে উঠেছে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বড়রাও নিজেদের পকেট খরচ করে কলা, বিস্কুট ও পাউরুটি কিনে দিচ্ছে এসব বন্যপ্রাণীকে। বানরগুলোও মানুষের দেওয়া খাবার শান্তভাবে গ্রহণ করছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে এক ধরনের মানবিক সম্পর্ক তৈরি করেছে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মজিবুর রহমান বলেন, অনেকে বানরটিকে কলা, আম, পাউরুটি ও বিস্কুট খাওয়ায়। খেয়ে তৃপ্ত হয়ে এটি আবার নিরাপদে চলে যায়।

শুধু আবাসিক এলাকাই নয়, শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাতেও বানরের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালের স্টোর কিপার মাহবুবুর রহমান বলেন, হাসপাতালে প্রায়ই একটি বানর আসে এবং ফেলে দেওয়া খাবার খেয়ে চলে যায়।

স্থানীয়দের ধারণা, খাদ্য সংকটের কারণে প্রাকৃতিক বনাঞ্চল থেকে এসব বানর লোকালয়ে চলে আসছে। কারও কারও মতে, সীমান্ত পেরিয়েও এসব প্রাণী আসতে পারে। এর আগে এই অঞ্চলে হায়েনা, মেছো বাঘ, ময়ূর, নীলগাই ও গন্ধগোকুলসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর প্রবেশের ঘটনাও ঘটেছে।

বর্তমানে শহরবাসী বানরগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। কেউ যাতে এদের আঘাত না করে এবং দুর্ঘটনার শিকার না হয়, সে বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বন বিভাগের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

ঠাকুরগাঁও বন বিভাগের কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম হেলাল জানান, আমরা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি। বানরগুলোর নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়