শিরোনাম
◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা

প্রকাশিত : ৩০ মার্চ, ২০২৬, ০৭:৪১ সকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কার কথা বলছেন নাহিদ-আসিফ? ‘ডিপ স্টেট’ আসলে কী?

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া সম্প্রতি এক বক্তব্যে বলেছেন, ‘ডিপ স্টেট’ থেকে অন্তর্বর্তী সরকারকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এর আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বক্তব্যেও এসেছে ‘ডিপ স্টেট’ প্রসঙ্গ। স্বভাবতই সাধারণ মানুষের মধ্যে ‘ডিপ স্টেট’ বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

ডিপ স্টেট বলতে কী বোঝায়?

রাজনীতি, ক্ষমতা আর গোপন প্রভাব—এই তিনের সংযোগেই বারবার উঠে আসে“ডিপ স্টেট”প্রসঙ্গ।  “ডিপ স্টেট”বলতে সাধারণত এমন একটি অপ্রকাশ্য ক্ষমতার কাঠামোকে বোঝানো হয়, যা সরকার বা দৃশ্যমান প্রশাসনের বাইরে থেকে রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রভাব ফেলে। এতে থাকতে পারে আমলাতন্ত্রের একটি অংশ, গোয়েন্দা সংস্থা, সামরিক বাহিনীর কিছু গোষ্ঠী বা প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠী—যারা সরাসরি সামনে না এসে নীতিনির্ধারণে ভূমিকা রাখে বলে ধারণা করা হয়।

কোথা থেকে এ ধারণার উৎপত্তি?

ডিপ স্টেট ধারণাটি নতুন নয়। বিশেষ করে তুরস্ক ও মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে গোপন ক্ষমতার কাঠামো নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা রয়েছে। পরে এটি পশ্চিমা রাজনীতিতেও আলোচিত হয় এবং ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়ে একটি বিতর্কিত শব্দে পরিণত হয়।

কেন এত আলোচনা?

রাজনৈতিক অস্থিরতা, হঠাৎ নীতিগত পরিবর্তন বা অপ্রত্যাশিত সিদ্ধান্তের পেছনে অনেক সময় “ডিপ স্টেট”কে দায়ী করা হয়। বিশেষ করে যখন কোনও সিদ্ধান্তের স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না, তখন এই ধারণাটি আরও বেশি সামনে আসে।

বাস্তবতা নাকি ষড়যন্ত্র?

বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু দেশে প্রশাসনের ভেতরে শক্তিশালী প্রভাবশালী গোষ্ঠী থাকতেই পারে, যারা নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলে। তবে “ডিপ স্টেট” শব্দটি অনেক সময় অতিরঞ্জিত বা রাজনৈতিকভাবে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ, এটি একদিকে বাস্তবতার আংশিক প্রতিফলন, অপরদিকে অনেক ক্ষেত্রে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।

সাধারণ মানুষের জন্য এর অর্থ কী?

“ডিপ স্টেট” থাকুক বা না থাকুক, এই ধারণাটি আমাদের বুঝতে সাহায্য করে—রাষ্ট্র পরিচালনা শুধু দৃশ্যমান রাজনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর পেছনে আরও অনেক স্তর, প্রভাব ও স্বার্থ কাজ করতে পারে।

শেষ কথা

“ডিপ স্টেট” একটি জটিল এবং বিতর্কিত ধারণা। এটি একদিকে রাজনৈতিক বাস্তবতার ইঙ্গিত দেয়, অন্যদিকে অনেক সময় ব্যাখ্যাতীত ঘটনাকে সহজভাবে বোঝানোর একটি মাধ্যম হয়ে ওঠে। তাই বিষয়টি বুঝতে হলে তথ্য, প্রেক্ষাপট এবং সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি—সবকিছুই জরুরি।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়