শিরোনাম
◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা

প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০২৬, ০৮:১৬ রাত
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লিগ্যাল নোটিশ কী, কেন পাঠানো হয়? জানুন বিস্তারিত

যেকোনও ব্যক্তি তার বক্তব্য বা দাবির বিষয়টি আইনি নোটিশ তথা লিগ্যাল নোটিশের মাধ্যমে অপর কোনও ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান-সরকারের কাছে তুলে ধরতে পারেন। বিশেষ করে লিগ্যাল নোটিশ হলো— একটি আনুষ্ঠানিক লিখিত সতর্কবার্তা, যা কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আগে পাঠানো হয়। সহজ কথায়, এটি একটি শেষ সুযোগ— যা আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার আগে প্রতিপক্ষকে দেওয়া হয়।

লিগ্যাল নোটিশের উদ্দেশ্য

দাবি বা অভিযোগ জানাতে, যেমন- নিজের পাওনা টাকা ফেরত, জমি বা কোনও অধিকার আদায়ের জন্য, সতর্ক করতে, যেমন- কোনও চুক্তি ভঙ্গ হলে বা কেউ বেআইনি কাজ করলে তাকে সতর্ক করার জন্য। বিবাদ মেটাতে, যেমন- আদালতের বাইরে আলোচনা বা সমঝোতার মাধ্যমে কোন আইনি জটিলতাপূর্ণ ঝামেলা শেষ করতে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে (যেমন- চেক ডিজঅনার বা বাড়ি ভাড়া সংক্রান্ত ঝামেলা) মামলা করার আগে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয় আইনত বাধ্যতামূলক পূরণ করতে।

লিগ্যাল নোটিশ দেওয়ার সুবিধা কী

আদালত পর্যন্ত না গিয়ে নোটিশের উত্তর বা আলোচনার মাধ্যমেই অনেক সময় সমস্যার সমাধান করার মাধ্যমে সময় ও টাকা বাঁচানো। মামলার দীর্ঘসূত্রতা এবং আদালতের উকিল খরচ থেকে বাঁচা যায়, আইনি জটিলতাপূর্ণ বিষয়ে মানসিক চাপ কমানো, ছোটখাটো বিবাদ নোটিশের মাধ্যমে সমাধান হলে আদালতের ওপর মামলার চাপ কমানো, প্রতিপক্ষ নোটিশ পাওয়ার পরও যদি কোনও পদক্ষেপ না নেয় বা জবাব না দেয়, তবে আদালতে প্রমাণ করা সহজ হয় যে, তাকে আগে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

লিগ্যাল নোটিশের যেমন হয়

সাধারণত একজন আইনজীবী তার মক্কেলের পক্ষে এটি ড্রাফট করে এবং নিজের প্যাডে স্বাক্ষর করে নোটিশটি পাঠিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে নোটিশে অভিযোগের বিবরণ, দাবির পরিমাণ এবং জবাব বা পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা (যেমন- ১৫ বা ৩০ দিন) বেঁধে দেওয়া হয়।

নোটিশ পেলে করণীয়

লিগ্যাল নোটিশ পেলে ভয় না পেয়ে একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিখিত জবাব দেওয়া উচিত। অথবা নোটিশ প্রদানকারী ব্যক্তির সঙ্গে বিবাদের বিষয়টি নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে নোটিশ প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়