শিরোনাম
◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা

প্রকাশিত : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৩:০৪ রাত
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চট্টগ্রামে ভাঙার জন্য আনা ৬০ কোটি টাকার জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে শিপ ব্রেকার্সে ভাঙার জন্য আমদানি করা মেমেই নামের একটি কেমিক্যাল ট্যাংকার জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে আটকে আছে। ভাঙার জন্য এটিকে সৈকতেও ভেড়ানো যাচ্ছে না। ফলে বেকায়দায় পড়েছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘এসএন করপোরেশন।’ এমন পরিস্থিতিতে ৬০ কোটি ৮০ লাখ টাকা মূল্যের জাহাজটি ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান।

এ বিষয়ে এসএন করপোরেশনের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপক (অ্যাডমিন ম্যানেজার) ওমর ফারুক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মেমেই নামের এই জাহাজ ভাঙার জন্য আমদানি করা হয়েছে। এটি গত ২২ মে চট্টগ্রামের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছায়। এর মাত্র কয়েক দিন পরেই যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন জাহাজটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। জাহাজটির বিরুদ্ধে ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য পরিবহনে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে। এটি সমুদ্রে নোঙর করা অবস্থায় আছে। আমরা এখনও অর্থ পরিশোধ করিনি। পরিস্থিতি বিবেচনায় এটি ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছি।’

আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন সংক্রান্ত প্রতিবেদন ও জাহাজ ট্র্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, ৪৪ হাজার ৮০০ টন ধারণক্ষমতার এই কেমিক্যাল ট্যাংকারটি নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঠিক আগ মুহূর্তে স্ক্র্যাপ (ভাঙার জন্য) হিসেবে আমদানি করা হয়েছিল। গত ২২ মে জাহাজটি চট্টগ্রামের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছায়। এর ছয় দিন পর ২৮ মে ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগের অংশ হিসেবে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর এবং ‘অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল’ (ওএফএসি) জাহাজটিকে কালো তালিকাভুক্ত বা নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।

মার্কিন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, এই মেমেই জাহাজটি ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য পরিবহনে জড়িত ছিল। ওয়াশিংটন কেবল এই জাহাজের ওপরই নিষেধাজ্ঞা দেয়নি, বরং এর হংকংভিত্তিক মালিক ও বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান ‘এভার শাইনিং লিমিটেড’ এবং তাদের নিয়ন্ত্রিত ‘ফ্লোরা’ নামের আরও একটি জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করেছে। উৎস: বাংলাট্রিবিউন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়