শুধু বিনোদন নয়, ক্রীড়াকে একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক খাত হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তাব এসেছে নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ক্রীড়া ভাতা প্রদানের পাশাপাশি ৬৪ জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস' এর আওতায় ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। তালিকায় সরকারের আরেক উদ্যোগ 'স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসি'।
মূলত, দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে নতুন সরকার তৎপর শুরু থেকেই। ক্রীড়া খাতকে শুধু বিনোদন নয়, বরং ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির অধীনে আয় ও কর্মসংস্থানমুখী একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক খাত হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তাব প্রতিফলিত হয়েছে এবারের বাজেটে।
খেলাধুলা হবে পেশা। এ লক্ষ্যে এরইমধ্যে ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া ভাতা প্রদান করেছে সরকার। সাথে এবারের বাজেটে ৬৪ জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। ১০টি জেলায় এরইমধ্যে স্পোর্টস ভিলেজের প্রাথমিক নকশাও প্রস্তুত।
এদিকে, নতুন আঙ্গিকে আলোচনায় 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস'। ১২-১৪ বছরের প্রতিভাবান ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের দেয়া হবে বৃত্তি। ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিকস, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার ও মার্শাল আর্ট; এই ৮টি খেলা বৃত্তির আওতায়। 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস' এ সারা দেশ থেকে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬২২ জন খেলোয়াড় নিবন্ধন করেছে। আসছে অর্থ বছরে তাদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করলো সরকার।
সরকারের আরেক উদ্যোগ 'স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসি'। বলা হচ্ছে এতে বাড়বে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা। যেখানে খেলাধুলোর মাধ্যমে বিশ্ব মানচিত্রে ব্র্যান্ডিং হবে 'লাল সবুজ পতাকার'।
এছাড়া প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি খেলাধুলায় অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে চায় সরকার। নিয়মিত প্রতিযোগিতা ও টুর্নামেন্ট আয়োজন করে এ প্রজন্মকে ক্রীড়াঙ্গনমুখী করাই সরকারের টার্গেট।
উল্লেখ্য, প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ক্রীড়া খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। বাজেটে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের জন্য ২ হাজার ৫৮৬ কোটি ৬ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।