শিরোনাম
◈ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে ইতিহাস গড়া বাজেট, লক্ষ্য প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা ◈ ৪৮ দলের মহারণ, আজ পর্দা উঠছে বিশ্বকাপের ◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত

প্রকাশিত : ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল
আপডেট : ১০ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লাল পাসপোর্ট জমা দিচ্ছেন উপদেষ্টারা

লাল রঙের সরকারি বা কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়ে সাধারণ পাসপোর্ট পেতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। এর আগে পদত্যাগের পর দুই ছাত্র উপদেষ্টা এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বকশ চৌধুরীও লাল পাসপোর্ট ফিরিয়ে দিয়ে সাধারণ পাসপোর্ট পেতে আবেদন করেন। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্দেশনা পায়নি পাসপোর্ট অধিদপ্তর। কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিল হলে বা ফেরত দিয়ে সাধারণ পাসপোর্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণত পৃথক দুটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন প্রয়োজন হয়। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, চলতি মাসে বিধান রঞ্জন রায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাধারণ পাসপোর্ট পেতে আবেদন করেছেন। লাল পাসপোর্ট ফেরত দেওয়ার কারণ হিসেবে ব্যক্তিগত উল্লেখ করেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে নিজ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চলছে কানাঘুষা। সাবেক সচিব ও প্রশাসন বিশেষজ্ঞ এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, নির্বাচন ঘনিয়ে এসেছে, যা দৃশ্যমান। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষের দিকে। অনেক উপদেষ্টা হয়তো ঝামেলা এড়াতে আগেই পাসপোর্ট জমা দিচ্ছেন। এরকম আরও অনেকেই জমা দিতে পারেন দ্রুতই।

তবে পাসপোর্ট অধিদপ্তর উপদেষ্টা বা বিশেষ সহকারী পদ থেকে পদত্যাগের পর সাধারণ পাসপোর্টের আবেদন করলেও সহসাই তাদের সাধারণ পাসপোর্ট দিতে পারেন না। কারণ হিসেবে জানা গেছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ-সংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী দুটি তদন্ত সংস্থার রিপোর্ট ছাড়া নতুন পাসপোর্ট দেওয়ার সুযোগ নেই।

অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর ওই বছরের ২২ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো এক নির্দেশায় বলা হয়, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, মন্ত্রিসভার সদস্য, জাতীয় সংসদ সদস্যসহ যেসব ব্যক্তি ও তাঁদের স্বামী-স্ত্রীরা কূটনৈতিক পাসপোর্ট গ্রহণ করেছিলেন, তাদের কর্মকালের অবসান হওয়ায় সবার লাল পাসপোর্ট প্রত্যাহার করে নিতে হবে।’ ওই চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘লাল পাসপোর্ট নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করলে তাঁকে দুটি সংস্থার প্রতিবেদনের মুখোমুখি হতে হবে। এ দুটি সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই তাঁর অনুকূলে সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যু করা হবে।’ 

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়