শিরোনাম
◈ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে ইতিহাস গড়া বাজেট, লক্ষ্য প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা ◈ ৪৮ দলের মহারণ, আজ পর্দা উঠছে বিশ্বকাপের ◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত

প্রকাশিত : ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৩:২৬ দুপুর
আপডেট : ২৪ মে, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জমির মালিকদেরকে সুখবর দিলো সাবরেজিস্ট্রি অফিস

অবশেষে জমি রেজিস্ট্রি ও দলিল প্রাপ্তির দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ঢাকা জেলার জমি ক্রেতা এবং গ্রহীতারা। এবার তাদের ভোগান্তি কমাতে নতুন সেবামুখী ব্যবস্থা চালু করেছে ঢাকা জেলার সব সাবরেজিস্ট্রি অফিস। এর ফলে এখন থেকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই দলিলের মূল ও নকল কপি হাতে পাবেন ক্রেতা বা গ্রহীতারা।

ঢাকা জেলার সাবরেজিস্ট্রার অহিদুল ইসলাম জানান, জমি রেজিস্ট্রির পর দলিল কবে প্রস্তুত হবে-সে তথ্য জানার জন্য আর অফিসে ঘুরতে হবে না। এখন থেকে গ্রহীতারা নির্দিষ্ট ফোন নম্বরে যোগাযোগ করে সহজেই দলিল সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য জানতে পারবেন।

তিনি বলেন, এ উদ্যোগের দ্বিতীয় ধাপ চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় রেজিস্ট্রারের কার্যালয় থেকে সেবা গ্রহীতাকে একটি সিলযুক্ত রসিদ দেওয়া হচ্ছে, যেখানে ক্রেতার মোবাইল নম্বর সংযুক্ত থাকবে। ভবিষ্যতে ওই নম্বরের মাধ্যমে প্রথমে এসএমএস এবং পরবর্তীতে সরাসরি কল করে দলিল সরবরাহের তারিখ জানানো হবে।

তবে ব্যক্তিগত কারণে যারা মোবাইল নম্বর দিতে আগ্রহী নন, তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ঢাকা জেলার আওতাধীন ২৩টি সাবরেজিস্ট্রি অফিসে এই সেবা বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নাম, পদবি ও যোগাযোগ নম্বরসহ একটি সমন্বিত তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। পাশাপাশি জমি রেজিস্ট্রির ফরমেটে ভোটার আইডি নম্বরের নিচে মোবাইল নম্বর যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অহিদুল ইসলাম আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে সাবরেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে সেবাপ্রার্থীদের ভোগান্তি ছিল একটি বড় সমস্যা। এর সমাধানে ঢাকার রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে সক্রিয় হেল্পডেস্ক চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, নিয়মিত গণশুনানি এবং সপ্তাহে অন্তত তিন দিন আকস্মিক পরিদর্শনের মাধ্যমে অফিসগুলোর কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে।

এ ছাড়া পুরোনো দলিল সংরক্ষণের জন্য ভবন সম্প্রসারণ এবং ডিজিটাল অটোমেশনের আওতায় দলিল স্ক্যান করে সংরক্ষণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

এই সাবরেজিস্ট্রার আরও জানান, যদিও এখনো সব সেবা প্রত্যাশিত মানে পৌঁছায়নি, তবে সাবরেজিস্ট্রি অফিসে যোগ দেওয়া উচ্চশিক্ষিত ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও উন্নত ও জনবান্ধব সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। উৎস: কালবেলা।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়