শিরোনাম
◈ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে ইতিহাস গড়া বাজেট, লক্ষ্য প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা ◈ ৪৮ দলের মহারণ, আজ পর্দা উঠছে বিশ্বকাপের ◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত

প্রকাশিত : ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:৩৬ রাত
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জানুন ঢাকার কোন এলাকা কত আসনে পড়েছে

জাতীয় রাজনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ঢাকা। এখানকার প্রতিটি সংসদীয় আসন শুধু রাজনৈতিক দিক থেকেই নয়, জনসংখ্যা, অর্থনীতি ও প্রশাসনিক গুরুত্বের কারণেও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ নির্ধারিত সীমানা অনুযায়ী ঢাকা জেলা ও ঢাকা মহানগর মিলিয়ে বর্তমানে ২০টি জাতীয় সংসদীয় আসন রয়েছে।

এই আসনগুলো গঠিত হয়েছে ঢাকা মহানগরের উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা এবং পার্শ্ববর্তী উপজেলা নিয়ে। জনসংখ্যার ঘনত্ব ও নগর সম্প্রসারণের কারণে একেকটি আসনের এলাকা একেক আসনের মধ্যে পড়েছে।

ঢাকা জেলার দুটি আসন পুরোপুরি ঢাকার বাহিরের ও উপজেলা কেন্দ্রিক।

ঢাকা–১ : আসনটি গঠিত দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা নিয়ে। এটি রাজধানীর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে।

ঢাকা–২০ : আসনটি ধামরাই উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনটি একেবারে ঢাকার বাহিরের পশ্চিম প্রান্তের গ্রামীণ এলাকা নিয়ে নিয়ে গঠিত।

ঢাকা–২ : কেরানীগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনটি বুড়িগঙ্গা নদীর দক্ষিণ তীরবর্তী। এটি রাজধানীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত হলেও প্রশাসনিকভাবে আলাদা উপজেলা।

ঢাকা-৩ : কেরানীগঞ্জ উপজেলার ৫ ইউনিয়ন (আগানগর, কন্ডা, সুবদ্যা, তেঘরিয়া, বিনজিরা)। ঢাকা-৪ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৯ ওয়ার্ড + শ্যামপুর থানা। ঢাকা-৫ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১২ ওয়ার্ড (যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা)।

পুরান ঢাকা ও দক্ষিণ ঢাকার আসনগুলো

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ঐতিহাসিক ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলো একাধিক আসনে বিভক্ত।

ঢাকা–৬ : পুরান ঢাকার অংশবিশেষ, যেখানে ঐতিহ্যবাহী আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা রয়েছে।

ঢাকা–৭ : লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর এলাকার বড় অংশ নিয়ে গঠিত।

ঢাকা–৮ : ধানমন্ডি, নিউ মার্কেট ও আশপাশের আবাসিক-বাণিজ্যিক এলাকা অন্তর্ভুক্ত।

ঢাকা–৯ : মতিঝিল ও পল্টনকেন্দ্রিক এলাকা নিয়ে গঠিত, যা দেশের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র।

মধ্য ঢাকার আবাসিক ও শিল্পাঞ্চল

ঢাকা–১০ : ধানমন্ডির অংশ ও আশপাশের এলাকা নিয়ে গঠিত।

ঢাকা–১১ : তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও সংলগ্ন আবাসিক এলাকা অন্তর্ভুক্ত।

ঢাকা–১২ : তেজগাঁও, শের-ই-বাংলা নগর, কাওরান বাজার এলাকা নিয়ে গঠিত।

ঢাকা–১৩: মোহাম্মদপুর ও পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো নিয়ে গঠিত।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আসন

ঢাকা–১৪, ঢাকা–১৫ ও ঢাকা–১৬: মিরপুর ও আশপাশের আবাসিক এলাকা নিয়ে গঠিত।

ঢাকা–১৭ : গুলশান, বনানী, বারিধারা, মহাখালী এবং ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা নিয়ে গঠিত।

ঢাকা–১৮ : উত্তরা, বিমানবন্দর, তুরাগসহ আরো উত্তরের কিছু এলাকা অন্তর্ভুক্ত।

ঢাকা–১৯ : সাভার ও আশুলিয়া অঞ্চল নিয়ে গঠিত। দেশের অন্যতম বড় শিল্পাঞ্চল এই আসনের আওতায় পড়ে। পোশাকশিল্প ও শ্রমজীবী মানুষের বসবাস এখানে বেশি।

নির্বাচনী আসনের সীমানা অনুযায়ী ভোটার তালিকা, সংসদ সদস্যের প্রতিনিধিত্ব, উন্নয়ন প্রকল্প ও প্রশাসনিক পরিকল্পনা নির্ধারিত হয়। রাজধানীতে জনসংখ্যা দ্রুত বাড়ায় নির্বাচন কমিশন সময় সময় এসব আসনের সীমানা পুনর্গঠন করে থাকে।

বিশ্লেষকদের মতে, ঢাকার আসনগুলোর সঠিক ভৌগোলিক ধারণা থাকলে ভোটারদের সচেতনতা বাড়ে এবং রাজনৈতিক জবাবদিহিও নিশ্চিত হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়