শিরোনাম
◈ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে ইতিহাস গড়া বাজেট, লক্ষ্য প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা ◈ ৪৮ দলের মহারণ, আজ পর্দা উঠছে বিশ্বকাপের ◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত

প্রকাশিত : ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৬:১১ সকাল
আপডেট : ০৯ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

উইঘুর নির্যাতনের ভিডিও প্রকাশকারী সেই চীনা যুবককে আশ্রয় দিল যুক্তরাষ্ট্র

চীনের শিনজিয়াং অঞ্চলে উইঘুর ও অন্যান্য জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘনের গোপন চিত্র ধারণ ও প্রকাশের জন্য নিজ দেশে নিপীড়নের আশঙ্কায় থাকা এক চীনা নাগরিককে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। 

যুক্তরাষ্ট্রের একটি অভিবাসন আদালতের রায়ে উল্লেখ করা হয়—চীনে ফেরত পাঠানো হলে ওই ব্যক্তি বাস্তব ও যুক্তিসংগতভাবে নির্যাতনের ঝুঁকিতে পড়বেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, আশ্রয়প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম গুয়ান হেং। ৩৮ বছর বয়সী গুয়ান ২০২০ সালে শিনজিয়াংয়ে অবস্থিত কয়েকটি আটককেন্দ্র গোপনে ভিডিও ধারণ করেন, যা পরে ইউটিউবে প্রকাশিত হয়।

মানবাধিকারকর্মীদের মতে, গুলানের এসব ভিডিও শিনজিয়াংয়ে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ। সেখানে প্রায় ১০ লাখ উইঘুর ও অন্যান্য সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর মানুষকে আটক রাখা হয়েছে।

২০২১ সালের অক্টোবরে ঝুঁকিপূর্ণ নৌযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর গুয়ান হেং আশ্রয়ের আবেদন করেন। তবে চলতি বছরের আগস্টে ট্রাম্প প্রশাসনের গণ-উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবে তাকে আটক করা হয় এবং তখন থেকে তিনি হেফাজতে রয়েছেন। 

যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) প্রথমে তাকে উগান্ডায় পাঠানোর উদ্যোগ নিলেও, জনমত ও কংগ্রেস সদস্যদের উদ্বেগের মুখে গত ডিসেম্বরে সেই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়।

নিউইয়র্কের ন্যাপানোচে অনুষ্ঠিত শুনানিতে গুয়ান হেং আদালতকে জানান, আশ্রয়ের সুযোগ তৈরির উদ্দেশ্যে তিনি ভিডিও ধারণ বা প্রকাশ করেননি। 

ভিডিও লিংকে ব্রুম কাউন্টি কারাগার থেকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমি নিপীড়িত উইঘুরদের প্রতি সহানুভূতি অনুভব করেছি।’ তিনি জানান, ভিডিও প্রকাশের জন্য চীন ছাড়ার বিকল্প ছিল না। তাই তিনি হংকং হয়ে ইকুয়েডর, বাহামা পাড়ি দিয়ে নৌকায় ফ্লোরিডায় পৌঁছান।

ভিডিও প্রকাশের পর চীনা পুলিশ তার বাবাকে অন্তত তিনবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। চীন সরকার শিনজিয়াংয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে, সেই কেন্দ্রগুলোতে কেবল ‘কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি’ পরিচালিত হচ্ছে।

গত বুধবার আদালতের শুনানিতে গুয়ান হেং আদালতকে জানান, যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের সুযোগ পাওয়ার উদ্দেশে তিনি ভিডিও ধারণ বা প্রকাশ করেননি।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, নেদারল্যান্ডসসহ একাধিক পশ্চিমা দেশ উইঘুর মুসলিমদের ওপর চীনের নিপীড়নকে মানবাধিকার লঙ্ঘন এমনকি গণহত্যার নামান্তর বলে সমালোচনা করে আসছে। তবে চীন বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়