শিরোনাম
◈ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে ইতিহাস গড়া বাজেট, লক্ষ্য প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা ◈ ৪৮ দলের মহারণ, আজ পর্দা উঠছে বিশ্বকাপের ◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত

প্রকাশিত : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৫ রাত
আপডেট : ২৭ মে, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বেনাপোল সীমান্তে এবার বিএনপির উদ্যোগে পালিত হবে ২১ ফেব্রুয়ারি

আজিজুল হক, বেনাপোল (যশোর): নতুন সরকার গঠনের পর এবার বেনাপোল সীমান্তের নো-ম্যান্সল্যান্ডে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

২০১৯ সালের পর করোনা পরিস্থিতির কারণে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সীমান্তে একুশের অনুষ্ঠান বন্ধ ছিল। এছাড়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে সীমান্তে কোনো আয়োজন হয়নি।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বেনাপোল স্থলবন্দর অডিটোরিয়ামে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ নুরুজ্জামান লিটন।

সভায় নুরুজ্জামান লিটন বলেন, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে বেনাপোল চেকপোস্টের নো-ম্যান্সল্যান্ডে একুশের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে এবার দেশের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট প্রদান করে বিএনপি সরকারকে নির্বাচিত করেছে।

এখন পূর্বের মতো ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কের পাশাপাশি সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির সম্পর্ক গড়ে উঠবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি আরও জানান, ভারতের সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও সীমান্তে একুশ উদযাপনে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় অনুমতি পেলে এবার জাঁকজমকভাবে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।

বেনাপোল সরগম সংগীত একাডেমির সভাপতি মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম বলেন, ২০০২ সালে প্রথমবারের মতো বেনাপোল সীমান্তের শূন্যরেখায় ভারত-বাংলাদেশ যৌথভাবে একুশ উদযাপন করে বেনাপোল সরগম সংগীত একাডেমি ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একুশ উদযাপন কমিটি।

পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এ আয়োজন চালিয়ে যায়। তবে নানা প্রতিবন্ধকতায় গত পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে সীমান্তে দুই বাংলার মিলনমেলা নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হয়নি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ায় আবারও ঐতিহ্যবাহী এ আয়োজন শুরু হওয়ার সম্ভাবনায় আমরা আনন্দিত।

প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন— শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ নুরুজ্জামান লিটন, বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ সামসুর রহমান, ইমিগ্রেশন ওসি সাখাওয়াত হোসেন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও সরগম সংগীত একাডেমির সভাপতি মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম, বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি আতিকুজ্জামান সনি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাবেক সংসদ সদস্য ইকরামুল কদর বাবলু, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম, বেনাপোল চেকপোস্ট বন্দর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আজিজুল হক, সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দীন, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুজ্জামান আরিফ, বেনাপোল পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মফিজুর রহমান বাবু, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম চয়নসহ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়