শিরোনাম
◈ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে ইতিহাস গড়া বাজেট, লক্ষ্য প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা ◈ ৪৮ দলের মহারণ, আজ পর্দা উঠছে বিশ্বকাপের ◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত

প্রকাশিত : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০০ রাত
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভোট দেওয়ায় স্ত্রীকে তালাক দিলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

ফেনীতে স্বামীর নিষেধ অমান্য করে ভোট দেওয়ায় বিবি জহুরা নামে এক গৃহবধূকে তালাক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর স্থানীয় জনতার তোপের মুখে পড়ে অভিযুক্ত ওই নেতা এলাকা থেকে পালিয়ে গেছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ফেনী সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের বাঁশতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ইসমাইল হোসেন কাওসার ধর্মপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এবং তিনি ওই এলাকার মৃত ইউসূফ হাজারীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে স্ত্রী বিবি জহুরাকে ভোটকেন্দ্রে যেতে নিষেধ করেন কাওসার। তবে প্রথমবার ভোটার হওয়ায় জহুরা উৎসাহের সঙ্গে তিন সন্তানকে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সে সময় কাওসার ঘুমিয়ে ছিলেন।

ভোট দিয়ে সকাল ১০টার দিকে বাড়ি ফিরে স্বামীর জন্য নাশতা প্রস্তুত করেন জহুরা। পরে কাওসার ঘুম থেকে উঠে নাশতা খেয়ে কিছু সময় এলাকায় ঘোরাফেরা করেন এবং দুপুরে খাবার শেষে আবার বিশ্রাম নেন। বিকেলে ঘুম থেকে উঠে স্ত্রীর ভোট দেওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন তিনি।

এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে মাগরিবের সময় স্ত্রীকে ভোট দেওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কাওসার। জহুরা তার জীবনের প্রথম ভোট দেওয়ার কথা স্বীকার করলে ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে মৌখিকভাবে তিন তালাক দেন এবং বাড়ি থেকে চলে যেতে বলেন।

ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে কাওসারকে আটক করে মারধর করেন। পরে স্ত্রীকে দেওয়া তালাক প্রত্যাহার করবেন বলে আশ্বাস দিয়ে কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে যান তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল আফছার জানান, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জহুরাকে মারধর করতেন কাওসার। এ নিয়ে একাধিকবার সামাজিকভাবে বিচারও হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কাওসার মাদকাসক্ত।

জানা গেছে, ২০১৩ সালে ফেনী সদর উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের মধুয়াই গ্রামের নুর আহম্মদের মেয়ে বিবি জহুরার সঙ্গে কাওসারের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে আবদুল আলিম শুভ (১২), সাবিনা আফরিস ইভানা (৮) ও ইসরাত জাহান ইসমাত (৪) নামে তিন সন্তান রয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়