শিরোনাম
◈ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে ইতিহাস গড়া বাজেট, লক্ষ্য প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা ◈ ৪৮ দলের মহারণ, আজ পর্দা উঠছে বিশ্বকাপের ◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত

প্রকাশিত : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৯:২৩ সকাল
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভোটের সকালেই গোপালগঞ্জের ভোটকেন্দ্রে নেই ভোটার

গোপালগঞ্জের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোটার উপস্থিতি নেই বললেই চলে। অনেক কেন্দ্রে ধানের শীষ ছাড়া অন্য প্রার্থীর এজেন্ট নেই।

এবার সারা বাংলাদেশের ভোটের চিত্র একরকম, কিন্তু গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারে– এমন আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল। কারণ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া হলো বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান এবং তার সমাধিস্থলও সেখানে। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ওই জেলা থেকে নির্বাচন করতেন।

গোপালগঞ্জ-৩ আসন, অর্থাৎ টুঙ্গিপাড়ায় গতকাল থেকেই বিবিসির সংবাদদাতা রয়েছেন। 

তিনিসকাল ৭টায় টুঙ্গিপাড়ার ডিমাডাঙ্গা টুঙ্গিপাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র থেকে জানান, প্রিজাইডিং অফিসাররা সকাল ৭টার আগেই কেন্দ্রে চলে এলেও ভোটার উপস্থিতির হার শূন্যের কাছাকাছি। অথচ এখানে মোট ভোটার ২৫৪০ জন এবং এদের মাঝে নারী ভোটার ১২৪০ জন।

গোপালগঞ্জ-৩ আসনের মোট ভোটার প্রায় তিন লাখ। এবং, গোপালগঞ্জ ১, ২ ও ৩ – এই তিনটি আসনের মোটার ভোটার প্রায় ১০ লাখ। এই পুরো জেলাটিই মূলত আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত অঞ্চল।

গোপালগঞ্জ-৩ আসন থেকেই শেখ হাসিনা নির্বাচন করতেন এবং আওয়ামী লীগ যতবারই নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, ততবারই তারা এই আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছে। কিন্তু এবার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। তাই, ভোটারদের মাঝে ভোট নিয়ে এক ধরনের অনাগ্রহ আছে।

আওয়ামী লীগও এখানে ভোট বর্জনের ডাক দিয়েছে। আওয়ামী লীগের এই ভোট বর্জনের ডাক গোপালগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি কার্যকর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আওয়ামী লীগে পদধারী নেতারা প্রকাশ্যে এসে ভোট বর্জনের মতো কোনো কর্মসূচি দেয়নি। কারণ তাদের অনেকের নামেই মামলা রয়েছে এবং কেউ কেউ জেলে।

তবে সাধারণ ভোটারদের মাঝে ভোট নিয়ে আগ্রহ কম হলেও প্রার্থীদের এজেন্টরা আশা করছেন, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা বাড়তে পারে। তারা আশা করছেন, ৫০ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি হতে পারে।

গোপালগঞ্জ-৩ আসন ঘুরে বিবিসি সংবাদদাতারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা দেখতে পেয়েছেন। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়