বিশ্বকাপের মঞ্চে আজ নিজেদের অভিযান শুরু করছে স্বাগতিক কানাডা। টরন্টোতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গ্রুপ ‘বি’-এর ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা। কাগজে-কলমে এবং সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের বিচারে কানাডা কিছুটা এগিয়ে থাকলেও বসনিয়াকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই।
কোচ জেসি মার্শের অধীনে কানাডা গত কয়েক বছরে নিজেদের ফুটবল শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। জোনাথন ডেভিড, কাইল লারিন, তাজন বুকানানদের মতো অভিজ্ঞ ও ইউরোপিয়ান লিগে খেলা ফুটবলারদের নিয়ে গড়া দলটি ঘরের মাঠের সমর্থনও পাচ্ছে। বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হিসেবে নকআউট পর্বে ওঠার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে তারা।
অন্যদিকে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা প্লে-অফ পেরিয়ে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে। দলটির সবচেয়ে বড় ভরসা অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার এডিন জেকো। ৪০ বছর বয়সেও জাতীয় দলের আক্রমণভাগে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। কোচ সার্জেই বারবারেজের দলকে আন্ডারডগ বলা হলেও লড়াকু মানসিকতার কারণে তারা যে কোনো প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে পারে।
ফিফা র্যাঙ্কিং এবং সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক ম্যাচের ধারাবাহিকতায় কানাডা তুলনামূলকভাবে এগিয়ে। তাছাড়া ম্যাচটি কানাডার মাটিতে হওয়ায় মানসিক সুবিধাও থাকবে স্বাগতিকদের পক্ষেই। যদিও অধিনায়ক আলফন্সো ডেভিস চোটের কারণে এই ম্যাচে অনুপস্থিত থাকতে পারেন, তবুও জোনাথন ডেভিডের নেতৃত্বে আক্রমণভাগ যথেষ্ট শক্তিশালী।
সম্ভাব্য চিত্র
কানাডা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে চাইবে এবং বলের দখল নিজেদের কাছে রাখার চেষ্টা করবে। অন্যদিকে বসনিয়া অপেক্ষা করবে পাল্টা আক্রমণের সুযোগের জন্য। ম্যাচ যত দীর্ঘ হবে, ততই স্বাগতিকদের চাপ বাড়তে পারে।
পূর্বাভাস
দুই দলের বর্তমান ফর্ম, স্কোয়াডের গভীরতা এবং স্বাগতিক সুবিধা বিবেচনায় কানাডাই ফেভারিট।
সম্ভাব্য ফলাফল: কানাডা ২-১ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা। তবে বসনিয়া একটি গোল করে ম্যাচে লড়াই জমিয়ে তুলতে পারে।