শিরোনাম
◈ উত্তরবঙ্গের আকাশপথে নতুন দিগন্ত, ৩ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে বদলে যাচ্ছে বগুড়া বিমানবন্দর ◈ বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হচ্ছে : সংসদে খাদ্যমন্ত্রী ◈ বজ্রপাত ও দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে আধুনিক প্রযুক্তির দিকে যাচ্ছে সরকার : সংসদে ত্রাণমন্ত্রী ◈ আফগা‌নিস্তান নাজেহাল, একদিনেই দু’বার অলআউট করে ৩০০ রা‌নে টেস্ট জিতলো ভারত ◈ ‘অনেক হয়েছে, এবার শেষ করা যাক’: সরাসরি সম্প্রচারে মেজাজ হারালেন ট্রাম্প, সাক্ষাৎকার ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন ◈ বাজেট ২০২৬-২৭: উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেলে টিআইএন, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৪৮০০ জনকে প্রত্যাবাসনের দাবি, নতুন তথ্য দিলেন শুভেন্দু ◈ অবহেলা, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ◈ ইসলামী ব্যাংকে আস্থার সংকট: পাঁচ দিনে ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন ৩৫০০ কোটি টাকা ◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার

প্রকাশিত : ০৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:০৩ রাত
আপডেট : ০৮ মে, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিশ্বকাপে না খেললে বাংলাদেশের আর্থিক ক্ষতি কেমন হতে পারে

২০২৬ সালে ছেলেদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যৌথভাবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় হতে যাচ্ছে। বৈশ্বিক এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশেরও। কিন্তু মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল দল কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে বাদ দেওয়ার পর পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নিয়েছে। যেহেতু নিরাপত্তা ইস্যুটি বাংলাদেশের মূল উদ্বেগের বিষয়, তাই ভারতে কোনও ম্যাচ খেলতে চায় না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এই ইস্যুতে কঠোর অবস্থানে বিসিবি ও সরকার। তবে আসন্ন টুর্নামেন্টে খেলতে না পারলে এটা নিশ্চিত আর্থিকভাবে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তার ওপর আবার আসন্ন টুর্নামেন্টে রেকর্ড প্রাইজমানির ঘোষণাও আসতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। 

এই টুর্নামেন্টটি টি টোয়েন্টি ক্রিকেটের দশম আসর। ২০টি দলের এই লড়াই চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত। ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রাইজমানি (পুরস্কারের অর্থ) ২০২৪ সালের তুলনায় প্রায় ২০% বৃদ্ধি করা হচ্ছে। মোট প্রাইজমানি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। গতবার যা ছিল ১ কোটি সাড়ে ১২ লাখ ডলারের কিছু বেশি। 

গত আসরে চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য নির্ধারিত ছিল ২৪.৫ লাখ ডলার, রানার্সআপ ১২.৮ লাখ ডলার, সেমিফাইনালিস্ট ৭ লাখ ৯০ হাজার, ৫ম থেকে ১২তম দলের জন্য তিন লাখ ৮০ হাজার এবং প্রতিটি দলের অংশগ্রহন ফি ছিল আড়াই লাখ ডলার। এবার সেই অঙ্কটা আরও বাড়ছে। অংশগ্রহণ ফি ধরা হচ্ছে তিন লাখ ডলার! পঞ্চম থেকে ১২তমস্থানের জন্য সেটা বেড়ে দাঁড়াচ্ছে সাড়ে চার লাখ ডলার। আর চ্যাম্পিয়নদের জন্য ৩০ লাখ ডলার, রানার্সআপ ১৬ লাখ ডলার,সেমিফাইনালিস্টদের ৯ লাখ ৬০ হাজার ডলার। তেমনটা হলে বাংলাদেশ ন্যূনতম ৩ লাখ ডলার থেকে বঞ্চিত হবে। এছাড়া অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা তো রয়েছেই। 

২০২৪ সালের মতো এই আসরেও ২০টি দল অংশগ্রহণ করবে। যাদের ৪টি গ্রুপে বিভক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ ‘সি’  গ্রুপে রয়েছে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেপাল এবং প্রথমবারের মতো কোয়ালিফাই করা ইতালি।

নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাদের ম্যাচগুলো ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেছে। যদিও আইসিসি এখন পর্যন্ত মূল সূচি ও ভেন্যু অনুযায়ীই এগোচ্ছে। তার পরও বাংলাদেশ যদি তাদের অবস্থানে অনড় থাকে, তাহলে প্রাইজমানির পাশাপাশি পরের বিশ্বকাপে খেলা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দেবে। এবার খেলতে পারলে হয়তো নির্ধারিত র‌্যাঙ্কিংয়ে থেকে অন্যতম দেশ হয়ে পরের বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ থাকবে। যদিও আইসিসি পরের বিশ্বকাপে খেলার ফরম্যাট এখনও ঘোষণা করেনি। সেটা হলে বাছাইপর্ব হয়ে আসার শঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার রেশ পরতে পারে আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ভারতের বিপক্ষে হোম সিরিজেও। তখন ভারতও বাংলাদেশ সিরিজ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিতে পারে। এতে করে বাংলাদেশ আর্থিকভাবে প্রচুর ক্ষতির সম্মুখীন হবে। কেননা ভারতের বিপক্ষে সিরিজে সবচেয়ে বেশি আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ থাকে। উৎস: বাংলাট্রিবিউন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়