শিরোনাম
◈ উত্তরবঙ্গের আকাশপথে নতুন দিগন্ত, ৩ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে বদলে যাচ্ছে বগুড়া বিমানবন্দর ◈ বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হচ্ছে : সংসদে খাদ্যমন্ত্রী ◈ বজ্রপাত ও দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে আধুনিক প্রযুক্তির দিকে যাচ্ছে সরকার : সংসদে ত্রাণমন্ত্রী ◈ আফগা‌নিস্তান নাজেহাল, একদিনেই দু’বার অলআউট করে ৩০০ রা‌নে টেস্ট জিতলো ভারত ◈ ‘অনেক হয়েছে, এবার শেষ করা যাক’: সরাসরি সম্প্রচারে মেজাজ হারালেন ট্রাম্প, সাক্ষাৎকার ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন ◈ বাজেট ২০২৬-২৭: উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেলে টিআইএন, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৪৮০০ জনকে প্রত্যাবাসনের দাবি, নতুন তথ্য দিলেন শুভেন্দু ◈ অবহেলা, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ◈ ইসলামী ব্যাংকে আস্থার সংকট: পাঁচ দিনে ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন ৩৫০০ কোটি টাকা ◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার

প্রকাশিত : ০৮ জুন, ২০২৬, ০৬:১৬ বিকাল
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশের ৬ লক্ষ শিক্ষক-কর্মচারী এবার ঈদুল আজহার আগে বেতন পাননি, ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত : সংসদে ক্ষোভ

মনিরুল ইসলাম : ঈদুল আজহার আনন্দের মাঝেও বিষাদের ছায়া নেমে এসেছিলো দেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬ লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর জীবনে। চলতি জুন মাসের ৮ তারিখ পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তারা মে মাসের বেতন-ভাতা পাননি। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম অর্থকষ্টে দিন কাটছে তাদের জীবন।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের মাধ্যমে এ বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করেন অধ্যক্ষ সেলিম ভুইয়া। তিনি এই ঘটনাকে বর্তমান সরকারকে বিতর্কিত করার জন্য একটি বিশেষ গোষ্ঠীর ‘চক্রান্ত’ বলে অভিহিত করেছেন এবং দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

৭১ বিধিতে দেওয়া নোটিশে সংসদ সদস্য বলেন, অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাতে হচ্ছে যে, বাংলাদেশের ৬ লক্ষ শিক্ষক-কর্মচারী এবার ঈদুল আজহার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। আজ জুনের ৮ তারিখ হওয়া সত্ত্বেও তাদের মে মাসের বেতন দেওয়া হয়নি। বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষকরা ঈদের আগে বেতন পাবেন না, এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, "এই সরকারকে বিতর্কিত করার জন্য শিক্ষকদের মাঝে এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একটি গোষ্ঠী চক্রান্ত করছে। তারাই শিক্ষকদের বেতন প্রদান থেকে বিরত রেখেছে।"

অতীতের উদাহরণ ও উৎসব ভাতার প্রসঙ্গ টেনে শিক্ষকদের অধিকার আদায়ের ইতিহাস স্মরণ করে তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সর্বপ্রথম এদেশের শিক্ষকদের জাতীয় বেতন স্কেলের ৫০ ভাগ প্রদান করে জাতীয়করণের সূচনা করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এদেশের শিক্ষকদের জন্য উৎসব ভাতা এবং ২০% বেতন বৃদ্ধি করেছিলেন।

তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের বিএনপি সরকারের আমলের উদাহরণ টেনে বলেন, "তৎকালীন সময়ে যদি মাসের ১৫ তারিখেও ঈদ হতো, তবে তার আগেই সেই মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ করে দেওয়া হতো। কিন্তু এখন প্রযুক্তি ও ব্যবস্থার এত উন্নতির পরও কেন প্রতি মাসের বেতন সময়মতো দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না?"

সংসদ সদস্য বর্তমান সরকারের প্রশংসনীয় উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতিমধ্যে শিক্ষকদের অবসর সুবিধা বোর্ড এবং কল্যাণ ট্রাস্ট সচল রাখার জন্য প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে। সরকার যখন শিক্ষকদের জন্য এত বড় তহবিল বরাদ্দ দিচ্ছে, তখন মাঠপর্যায়ে বা প্রশাসনিক গাফিলতির কারণে ৬ লাখ শিক্ষকের বেতন আটকে থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক।

সংসদ সদস্য স্পিকারের মাধ্যমে অবিলম্বে এই আমলাতান্ত্রিক বা চক্রান্তমূলক জটিলতা নিরসন করে ঈদের আগেই শিক্ষকদের মে মাসের বকেয়া বেতন এবং ঈদ বোনাস দ্রুত পরিশোধের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়