শিরোনাম
◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস

প্রকাশিত : ৩০ মে, ২০২৬, ১১:৩৭ রাত
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজস্ব তহবিল থেকে টাকা নেয়ার অভিযোগের ব্যাখ্যা দিলেন আসিফ-হাসনাত

কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া রাজস্বখাত থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ১৫ কোটি ও দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন বলে যে অভিযোগ করেছেন, তা বিধি মোতাবেক দুই উপজেলার উন্নয়নে ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

আজ শনিবার দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রশাসক মোস্তাক মিয়া বলেন, ‘জেলা পরিষদের রাজস্বখাত থেকে মুরাদনগরের আসিফ মাহমুদ ১৫ কোটি টাকা নিয়েছেন। আর হাসনাত আবদুল্লাহ নিয়েছেন ১০ কোটি টাকা। এই হলো সমন্বয়কদের অবস্থা। তারা চেয়েছিলেন যে বাংলাদেশে বৈষম্যবিরোধী একটা সমন্বয়ের রাজনীতি, কিন্তু তাদের মধ্যে সেটা ছিল না।’  


এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেস্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া সমকালকে বলেন, ‘কোন্‌ অর্থ এডিপি আর কোনটি রাজস্ব- এটা জানতে হবে। আমি মন্ত্রণালয় থেকে সব উপজেলায় বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছি। কুমিল্লা জেলা পরিষদের মাধ্যমে মুরাদনগর ও দেবিদ্বারেও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এসব টাকা বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে বিধি মোতাবেক ব্যয় হয়েছে, যার নথি জেলা পরিষদে আছে।’
 
অন্যদিকে, সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ সমকালকে বলেন, ‘এই বরাদ্দ স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেওয়া বিশেষ বরাদ্দ, যেটা জেলা পরিষদের মাধ্যমে ব্যয় হয়েছে। দেবিদ্বারকে ১০ কোটি নয়, ৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, যেটা এডিপি প্রকল্পের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। জেলা পরিষদের রাজস্বের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘রাজস্ব খাত আর বিশেষ বরাদ্দ সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে প্রশাসক এই কথা বলতেন না। আর উনি এমনভাবে বলেছেন- মনে হচ্ছে টাকা আমরা নিজেরা পকেটে নিয়ে গেছি। অথচ দেবিদ্বারের বিভিন্ন কাজে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’

রাতে জেলা পরিষদ প্রশাসক মোস্তাক মিয়া সমকালকে বলেন, ‘নিজস্ব রাজস্ব তহবিল আর এডিপির বিশেষ বরাদ্দ সবই সরকারি টাকা। দুই উপজেলায় বিশেষ বরাদ্দে নেওয়া প্রকল্পগুলো তদন্ত করা হবে। কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ উৎস: সমকাল।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়