শিরোনাম
◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৪৮ রাত
আপডেট : ২৮ মে, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য ২৯ কোটি টাকা অনুদান দিলো ইইউ

নাগরিক সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিকে (ডব্লিউএফপি) অতিরিক্ত ২০ লাখ ইউরো (যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৯১৪৮৯২০০ টাকা) অনুদান দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ডব্লিউএফপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন এই অনুদানের ফলে ২০২৫ সালে বাংলাদেশে ডব্লিউএফপিতে ইইউর মোট অবদান বেড়ে দাঁড়াল ১ কোটি ৫৩ লাখ ইউরোতে। এই অর্থ রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য জীবন রক্ষাকারী খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হবে।

বাংলাদেশে ইইউ মানবিক সহায়তার প্রধান ডেভিড জাপ্পা বলেন, ২০২৫ সাল বিশ্বব্যাপী মানবিক কার্যক্রমের জন্য একটি চ্যালেঞ্জিং বছর। তবুও রোহিঙ্গা এবং তাদের আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়ের প্রতি ইইউ দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংকটে থাকা মানুষের প্রতি সংহতি ও সমর্থন ইইউর প্রতিষ্ঠাতা নীতির অংশ।

ডব্লিউএফপি বর্তমানে ই-ভাউচার ব্যবস্থার মাধ্যমে পুরো রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা দিয়ে আসছে। প্রায় ১২ লাখ মানুষ এই সহায়তার আওতায় রয়েছে, যার মধ্যে ২০২৪-২০২৫ সময়ে নতুন আসা প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গাও অন্তর্ভুক্ত। প্রতিটি পরিবার মাসে ১২ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ সহায়তা পায়, যা দিয়ে তারা প্রধান ও তাজা খাদ্যসামগ্রী কিনতে পারে।

এ ছাড়া শিশু এবং গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের অপুষ্টি প্রতিরোধ ও চিকিৎসা, ৪ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার রোহিঙ্গা শিশুর জন্য স্কুল মিল এবং রোহিঙ্গা ও স্থানীয় উভয় সম্প্রদায়ের জন্য জীবিকা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম পরিচালনা করছে ডব্লিউএফপি।

ডব্লিউএফপি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর সিমোন লসন পার্চমেন্ট বলেন, ইইউর সময়োপযোগী অবদান এবং দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। এই ধরনের প্রতিশ্রুতির মাধ্যমেই ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে সহায়তা দেওয়া সম্ভব।

নবম বছরে প্রবেশ করা রোহিঙ্গা সংকট এখনও তীব্র তহবিল ঘাটতির মুখে। ২০২৬ সালে জীবন রক্ষাকারী খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা কর্মসূচি চালিয়ে যেতে ডব্লিউএফপির প্রয়োজন হবে প্রায় ১৪ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। নতুন অর্থ সহায়তা না এলে এপ্রিলের শুরু থেকেই এই কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়