শিরোনাম
◈ ভারতের সব কর্মীকে ছাঁটাই করল ওপেনডোর, কারণ দেখালো ‘গ্রাহকরা আমেরিকায়’ ◈ বেনাপোল বন্দরের শেড থেকে উধাও ৬ কোটি টাকার পণ্য, ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা ◈ বাংলাদেশের বাজেট ইতিহাস: তাজউদ্দীন থেকে আমির খসরু, কে কত দিলেন? ◈ অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল বাংলাদেশের অর্থনীতি, নতুন রেকর্ড জিডিপিতে ◈ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের তথ্য দিয়ে আমাকে ব্ল্যাকমেল করতে চেয়েছিল এপস্টেইন: বিল গেটস ◈ ব্রাজিলকে হালকাভাবে নিলে ভুগতে হবে, বিশ্বকাপে নামার আগে মিডফিল্ডার ব্রুনোর হুম‌কি ◈ পা‌কিস্তা‌নের সা‌বেক ক্রিকেটার বা‌সিত আ‌লি বল‌লেন, বাংলাদেশ এশিয়ার দ্বিতীয় সেরা দল ◈ প্রশ্ন ছাড়াই কালো টাকা সাদা করার সুযোগ, আসছে নতুন বিধান ◈ প্রতিকূলতা জয় করে দৃশ্যমান বামনী ক্লোজার বাঁধ, উপকৃত হবেন ৯ লাখ মানুষ ◈ জুলাই থেকেই আংশিক বাস্তবায়ন হতে পারে নতুন পে-স্কেল, বাজেটে নেই আলাদা বরাদ্দ

প্রকাশিত : ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:১৪ সকাল
আপডেট : ০৯ জুন, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

একজন সাংবাদিক কারাগারে, নীরব সাংবাদিক সমাজ: ক্ষোভ প্রকাশ আনিস আলমগীরের

অবৈধ সম্পদ অর্জনে অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি শুরু হওয়ার আগে আইনজীবীর কাছে সাংবাদিক সমাজের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।  

দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত তাকে গ্রেপ্তারের আদেশ দেন।

আজ সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে কারাগারে থেকে আনিস আলমগীরকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর তাকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। বেলা ১১টার দিকে তাকে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্য দিয়ে এজলাসে ওঠানো হয়। 

কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তার আইনজীবী নাজনীন নাহার, তাসলিমা জাহান পপি ও নিয়াজ উদ্দিনের সাথে দীর্ঘ সময় ধরে কথা বলেন তিনি।

আইনজীবী নিয়াজ উদ্দিনের কাছে সাংবাদিক সমাজের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে আনিস আলমগীর বলেন, 'একজন সাংবাদিকে জেলখানায় আছে অথচ কেউ কিছু লেখেননি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে কেউ সোচ্চার নেই। বিনা কারণে আমাকে জেল হাজতে আটক রাখা হয়েছে। একটা প্রতিবাদ পর্যন্ত করা হয়নি।'

আরেক আইনজীবী নাজনীন নাহারকে মামলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন আনিস আলমগীর। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, 'কবে আমার জামিন হবে?' তখন আইনজীবী বলেন, 'এই মুহূর্তে নাও হতে পারে। তবে নির্বাচনের পর আমরা আবারও ট্রাই (চেষ্টা) করবো। মামলার কাগজপত্র এখনো হাতে পাইনি। দেখা যাক কি হয়।'

দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এই মামলায় শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে তাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। 

গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডি ২ নম্বরে অবস্থিত একটি ব্যায়ামাগার থেকে বের হওয়ার পর আনিস আলমগীরকে হেফাজতে নেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলি (ডিবি)। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

পরদিন ১৫ ডিসেম্বর তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে গত ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন। 

'জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স' নামে একটি সংগঠনের সদস্য আরিয়ান আহমেদ 'রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্টের ষড়যন্ত্র এবং নিষিদ্ধ সংগঠনকে উসকে দেওয়ার' অভিযোগে গত ১৪ ডিসেম্বর রাতে আনিস আলমগীরসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়