শিরোনাম
◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা

প্রকাশিত : ২৭ মে, ২০২৬, ০১:২৪ রাত
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফ্রিজে মাংস রাখছেন? যেসব ভুল করছেন অনেকেই

কোরবানির ঈদে ঘরে সবচেয়ে বড় ব্যস্ততার একটি হলো মাংস সংরক্ষণ। কিন্তু প্রতি বছরই একই ধরনের কিছু ভুলের কারণে অনেক পরিবারকে পরে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। কখনো ফ্রিজে জায়গা সংকট, কখনো দুর্গন্ধ, আবার কখনো মাংস ঠিকমতো না জমার মতো সমস্যায় নষ্ট হয় স্বস্তি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোরবানির মাংস সংরক্ষণে বেশির ভাগ সমস্যার পেছনে থাকে কিছু সাধারণ অসতর্কতা। সামান্য পরিকল্পনা ও সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে এসব ঝামেলা সহজেই এড়ানো সম্ভব।

শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ফ্রিজ না গুছানো: সবচেয়ে সাধারণ ভুলগুলোর একটি হলো ঈদের আগ পর্যন্ত ফ্রিজ না গুছানো। অনেকের ফ্রিজেই পুরোনো ফ্রোজেন খাবার, আধখাওয়া আইসক্রিম বা অচেনা বক্স জায়গা দখল করে থাকে। ফলে কোরবানির মাংস রাখার সময় হঠাৎ করেই জায়গা সংকট তৈরি হয়।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ঈদের অন্তত এক-দুই দিন আগে ফ্রিজ পরিষ্কার করে অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে ফেলা উচিত।

মাংস সরাসরি ফ্রিজে ঢুকিয়ে দেওয়া: অনেকে কাটা মাংস প্যাকেট করেই দ্রুত ফ্রিজে ঢুকিয়ে দেন। এতে ফ্রিজের ভেতরের তাপমাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায় এবং অন্য খাবারও প্রভাবিত হতে পারে। মাংস কিছুটা ঠান্ডা হওয়ার পর প্যাকেট করে ফ্রিজে রাখলে সংরক্ষণ নিরাপদ হয়।

অতিরিক্ত গাদাগাদি করে রাখা: ফ্রিজে যতটা জায়গা আছে, তার চেয়ে বেশি মাংস গুঁজে রাখার প্রবণতা খুবই সাধারণ। কিন্তু এতে ঠান্ডা বাতাস ঠিকমতো চলাচল করতে পারে না। ফলে কিছু প্যাকেট শক্ত হয়ে জমে গেলেও কিছু অংশ আধা-গলা অবস্থায় থেকে যায়। এতে মাংস নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে এবং ফ্রিজের কুলিং সিস্টেমের ওপরও অতিরিক্ত চাপ পড়ে।

সব ধরনের মাংস একসঙ্গে মিশিয়ে রাখা: অনেকেই কিমা, হাড়সহ মাংস, কলিজা বা নেহারি আলাদা না করে একসঙ্গে প্যাকেট করেন। পরে প্রয়োজনের সময় কোন প্যাকেটে কী আছে, সেটাই আর মনে থাকে না। এ কারণে মাংস আলাদা ক্যাটাগরিতে ভাগ করে প্যাকেট করা ভালো। প্যাকেটের ওপরে নাম লিখে রাখলে আরও সুবিধা হয়।

পাতলা বা নিম্নমানের ব্যাগ ব্যবহার: বাজারের পাতলা প্লাস্টিক ব্যাগে মাংস রাখলে তা বরফের সঙ্গে লেগে যেতে পারে। পরে টানতে গেলে ছিঁড়ে গিয়ে রক্তপানি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। মোটা ও ফ্রিজ-উপযোগী ব্যাগ বা জিপ-লক ব্যবহার করলে এই ঝামেলা কমে।

সমতলভাবে প্যাকেট না করা: বড় গোলাকার ব্যাগে গুঁজে মাংস রাখলে তা জমতে বেশি সময় লাগে। আবার ফ্রিজে স্তূপ করেও রাখা কঠিন হয়। পাতলা ও সমানভাবে ভাগ করে প্যাকেট করলে মাংস দ্রুত জমে এবং জায়গাও কম লাগে।

লিকেজ পরিষ্কার না করা: ঠিকমতো না জমলে প্যাকেট থেকে রক্তপানি বের হয়ে ফ্রিজের ট্রেতে জমে যায়। সময়মতো পরিষ্কার না করলে দুর্গন্ধ তৈরি হয় এবং জীবাণু ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে। ফ্রিজের নিচে ট্রে, খবরের কাগজ বা প্লাস্টিক শিট ব্যবহার করলে পরিষ্কার করা সহজ হয়।

বারবার ফ্রিজ খোলা: ঈদের সময় প্রায়ই দেখা যায়, কেউ না কেউ কিছুক্ষণ পরপর ফ্রিজ খুলে দেখছেন সব ঠিক আছে কি না। কিন্তু বারবার ফ্রিজ খোলা হলে ভেতরের তাপমাত্রা ওঠানামা করে, যা মাংস দ্রুত জমতে বাধা দেয়। যে প্যাকেটগুলো বেশি ব্যবহার হবে, সেগুলো সামনে রাখলে অযথা পুরো ফ্রিজ ঘাঁটাঘাঁটি করতে হয় না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামান্য সচেতনতা ও পরিকল্পনাই কোরবানির মাংস দীর্ঘ সময় নিরাপদ ও ভালো রাখতে সাহায্য করতে পারে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়