শিরোনাম
◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস

প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০২৬, ০৭:৪৫ বিকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইউরোপে গুগলের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ, হতে পারে রেকর্ড জরিমানা

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডিজিটাল বাজার আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে টেক জায়ান্ট গুগল-এর বিরুদ্ধে ইতিহাসের অন্যতম বড় জরিমানার প্রস্তুতি চলছে। জার্মান দৈনিক হ্যান্ডেলসব্লাটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জরিমানার পরিমাণ কয়েকশ কোটি ইউরো ছাড়িয়ে যেতে পারে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লায়েন। ঘোষণা আসতে পারে আগামী গ্রীষ্মকালীন বিরতির মাঝেই। 

গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ইউরোপের ডিজিটাল বাজার আইন যথাযথভাবে মানেনি। এ আইনের উদ্দেশ্য বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের বাজার দখল কমিয়ে প্রতিযোগিতার সুযোগ বাড়ানো।

ইউরোপীয় কমিশনের তদন্তে উঠে এসেছে, গুগল নিজেদের অনুসন্ধানসেবায় নিজস্ব বিভিন্ন সেবাকে প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। পাশাপাশি তাদের অ্যাপসের বাজারে নির্মাতাদের বিকল্প মাধ্যমে ব্যবহারকারী পাঠানোর পথও সীমিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

২০২৪ সালের মার্চে তদন্ত শুরু করে ইউরোপীয় কমিশন। এক বছর পর প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়, গুগলের কার্যক্রম আইনটির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

কমিশনের কর্মকর্তা তেরেসা রিবেরা বলেন, তাদের প্রধান লক্ষ্য আইন মানার সংস্কৃতি গড়ে তোলা। আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব না হলেই কঠোর ব্যবস্থার পথে হাঁটে কমিশন।

তবে কমিশনের দাবি, এখন পর্যন্ত গুগল যে সমাধানের প্রস্তাব দিয়েছে তা সন্তোষজনক নয়। চলতি মাসে প্রতিষ্ঠানটিকে আরও সময় দেওয়া হলেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি দেখা যায়নি। শেষ পর্যন্ত জরিমানা হলে সেটিই হবে এ আইনের অধীনে সবচেয়ে বড় শাস্তি।

অন্যদিকে গুগলের দাবি, ইউরোপীয় কমিশনের নির্দেশনা মেনে সেবায় যে পরিবর্তন আনা হয়েছে তাতে ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, এসব পরিবর্তনের ফলে ইউরোপের ব্যবহারকারীরা আগের মতো মানসম্মত সেবা পাচ্ছেন না।

এর আগেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রতিযোগিতা আইনের মামলায় গুগলকে একাধিকবার তদন্ত ও জরিমানার মুখে পড়তে হয়েছে। অনুসন্ধানসেবা, বিজ্ঞাপন ব্যবসা, স্মার্টফোন–সংক্রান্ত নীতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সেবাকে ঘিরেও প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়