শিরোনাম
◈ কোরআ‌নে চুমু দি‌য়ে যাত্রা শুরু, মেক্সিকোতে ইরানের বিশ্বকাপ দল‌কে উষ্ণ অভ্যর্থনা ◈ নাহিদ রানাকে নিয়ে আতং‌কে আ‌ছি, বললেন অ‌স্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ◈ মোবাইলের স্ক্রিন থেকে মাঠে ফিরুক শিশুরা, খেলার মাঠ ও পার্ক দখলমুক্তের ঘোষণা সংসদে ◈ ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেই, তবু বলছি’— আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে রুমিন ফারহানার তোপ ◈ যুক্তরা‌স্ট্রে ইংল্যান্ড দ‌লের ক‌্যা‌ম্পের কা‌ছেই বন্দুক হামলা, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বিশ্বকাপের অ‌নেকগুলো দল ◈ এলডিসি উত্তরণের প্রভাব: ঝুঁকিতে সাড়ে ১৭ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি: বাণিজ্যমন্ত্রী ◈ উত্তরবঙ্গের আকাশপথে নতুন দিগন্ত, ৩ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে বদলে যাচ্ছে বগুড়া বিমানবন্দর ◈ বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হচ্ছে : সংসদে খাদ্যমন্ত্রী ◈ বজ্রপাত ও দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে আধুনিক প্রযুক্তির দিকে যাচ্ছে সরকার : সংসদে ত্রাণমন্ত্রী ◈ আফগা‌নিস্তান নাজেহাল, একদিনেই দু’বার অলআউট করে ৩০০ রা‌নে টেস্ট জিতলো ভারত

প্রকাশিত : ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:৪৯ রাত
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুদ্ধের পর ড্রোন উৎপাদন ১০ গুণ বাড়িয়েছে ইরান

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর উপ-চিফ অব স্টাফ জানিয়েছেন, গত বছরের জুনে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের পর ৭ মাসে তাদের আক্রমণাত্মক ড্রোন উৎপাদনের হার দশগুণ বৃদ্ধি করেছে তারা।

বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) প্রকাশিত এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলিরেজা শেখ বলেন, ইরান তাদের ড্রোন সক্ষমতায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি অর্জন করেছে।

তিনি আরও বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ভবিষ্যতের যেকোনো সম্ভাব্য পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ২০২৫ সালের জুনে সংঘটিত ১২ দিনের যুদ্ধ থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতার ফলেই হুমকি মোকাবিলা, প্রতিরোধ এবং শত্রুকে তার লক্ষ্য অর্জন থেকে বিরত রাখার ক্ষেত্রে ইরানের সামরিক সক্ষমতা বেড়েছে।

এই শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা ইরানের “অত্যন্ত বিস্তৃত” কৌশলগত সাফল্যের কথা উল্লেখ করে বলেন, “আজ আমরা বলতে পারি, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরান প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে নতুন এক ধারা সৃষ্টি করেছে।”

শেখ আরও বলেন, ড্রোন প্রযুক্তিতে ইরানের বড় অগ্রগতি শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা সমীকরণকে বিঘ্নিত করেছে, ফলে “আমাদের নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লক্ষ্যবস্তুতে সঠিকভাবে আঘাত হানছে।”

তিনি ব্যাখ্যা করেন, “এটাই সামরিক সৃজনশীলতা—যেখানে বিভিন্ন উপাদানকে একত্রিত করে শক্তিশালী ও কার্যকর সমন্বয় তৈরি করা হয়।”

গত সপ্তাহে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সর্বশেষ দফার আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শক্তির ভারসাম্য থাকলেই দুই পক্ষ আলোচনার টেবিলে বসে।

তিনি দাবি করেন, “আমরা শত্রুকে আমাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনায় বসতে বাধ্য করেছি—এটিই একটি বড় বিজয়।”

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধের শুরুতে শত্রুপক্ষ যা দাবি করেছিল এবং আলোচনায় যে বিষয়গুলো উঠে এসেছে—এই তুলনা করলেই শক্তির ভারসাম্য বোঝা যাবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক হামলা চালায়, যা শুরু হয় ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি, কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা এবং বেসামরিক নাগরিকদের হত্যার পর। এই হামলার মধ্যে পারমাণবিক স্থাপনা, স্কুল, হাসপাতাল এবং বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর আঘাতও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী “অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪” এর অধীনে ১০০ দফা পাল্টা হামলা চালায়, যেখানে শত শত ব্যালিস্টিক ও হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করে পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং অধিকৃত অঞ্চলে ইসরায়েলি অবস্থানগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

সূত্র: প্রেস টিভি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়