শিরোনাম
◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ০৬ মার্চ, ২০২৬, ০৫:২১ বিকাল
আপডেট : ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবার সাবমেরিন থেকে টর্পেডো ছুড়ল যুক্তরাষ্ট্র

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন নৌবাহিনীর সাবমেরিন থেকে ছোড়া টর্পেডো সরাসরি যুদ্ধের সময় একটি জাহাজকে আঘাত করেছে। হামলায় ইরানের ফ্রিগেট ‘আইআরআইএস দিনা’ ডুবে যায়। ঘটনাটি ঘটেছে ভারত মহাসাগরে শ্রীলঙ্কার কাছাকাছি এলাকায়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বুধবার (৪ মার্চ) একটি মার্কিন সাবমেরিন থেকে ছোড়া টর্পেডো ওই ইরানি যুদ্ধজাহাজে আঘাত হানে। তবে কোন সাবমেরিন থেকে হামলাটি চালানো হয়েছে, তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।প্রতিবেদন দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের। 

পরে পেন্টাগন একটি ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে দেখা যায় একটি টর্পেডো জাহাজটির পেছনের অংশের নিচে বিস্ফোরিত হচ্ছে। বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ পানি শূন্যে উঠে যায় এবং জাহাজ ভেঙে যায়। 

শ্রীলঙ্কার কর্মকর্তারা জানান, ডুবে যাওয়া জাহাজটি থেকে ৩২ জন ইরানি নাবিককে উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে জাহাজটিতে মোট প্রায় ১৮০ জন নাবিক ছিলেন।

মার্কিন নৌবাহিনীর ইতিহাস অনুযায়ী, শেষবার কোনো মার্কিন সাবমেরিন শত্রু জাহাজে টর্পেডো নিক্ষেপ করেছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিনে। তখন ইউএসএস টর্স্ক  নামের সাবমেরিনটি ১৯৪৫ সালের ১৪ আগস্ট জাপানের একটি জাহাজ ডুবিয়ে দেয়।

বর্তমান হামলায় ব্যবহৃত টর্পেডোটি ছিল মার্ক-৪৮ টর্পেডো।  এটি মার্কিন নৌবাহিনীর প্রধান সাবমেরিন-নিক্ষেপযোগ্য অস্ত্র। ১৯৭২ সালে চালু হওয়া এই টর্পেডো সময়ের সঙ্গে বিভিন্নভাবে উন্নত করা হয়েছে।

প্রায় ৩,৮০০ পাউন্ড ওজনের এই অস্ত্রটি সোনার প্রযুক্তি ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তু খুঁজে পায় এবং জাহাজের নিচে গিয়ে বিস্ফোরিত হয়। এতে জাহাজের মূল কাঠামো ভেঙে দেয় এবং দ্রুত জাহাজ ডুবে যেতে বাধ্য করে।

সূত্র: চ্যানেল ২৪

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়