শিরোনাম
◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:৪৩ রাত
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

খনিজ খাতে ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের লক্ষ্যে পাকিস্তান ও চীনের ‘ই-মাইনিং প্ল্যাটফর্ম’ চালু করছে দু’দেশ

পাকিস্তান ও চীনের অংশীদারিত্ব এখন একটি নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। এই যুগ কেবল অবকাঠামোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং উৎপাদন, রপ্তানি, কর্মসংস্থান ও টেকসই উন্নয়নে কেন্দ্রীভূত। এ কথা বলেছেন পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল। দ্য নিউজ’কে উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে অনলাইন জিও নিউজ।

বুধবার অনুষ্ঠিত চীন-পাকিস্তান খনিজ সহযোগিতা ফোরামে বক্তব্য দিতে গিয়ে আহসান ইকবাল বলেন, পাকিস্তান ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই অংশীদারিত্ব ধারাবাহিকতা, আস্থা ও কৌশলগত গভীরতার এক উজ্জ্বল উদাহরণে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর (সিপিইসি) জ্বালানি, সড়ক অবকাঠামো, গোয়োদার বন্দর ও জাতীয় সংযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে পাকিস্তানের উন্নয়ন চিত্র সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। এ অনুষ্ঠানে পাকিস্তান ও চীন যৌথভাবে ‘পাক-চীন ই-মাইনিং প্ল্যাটফর্ম’ চালু করে। এটি একটি ডিজিটাল উদ্যোগ, যার লক্ষ্য পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ও চীনা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান, প্রকল্প সংযোগ এবং সহযোগিতা জোরদার করা। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পাকিস্তানের খনিজ খাতে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ উন্মুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আহসান ইকবাল বলেন, সিপিইসি ২.০ পাকিস্তানের জাতীয় অর্থনৈতিক রূপান্তর কাঠামো ‘উড়ান পাকিস্তান’-এর সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই কর্মসূচির লক্ষ্য ২০৩৫ সালের মধ্যে পাকিস্তানকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করা। তিনি জানান, সাম্প্রতিক চীন সফরের সময় একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়