শিরোনাম
◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:০৪ রাত
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারতের রাফাল ভূপাতিত করা সেই পিএল-১৫ মিসাইলের সক্ষমতা আরও বাড়াল চীন

চীনের তৈরি অত্যাধুনিক আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য পিএল-১৫ মিসাইলের সক্ষমতা ও পাল্লা আরও বৃদ্ধি করেছেন দেশটির বিজ্ঞানীরা। এই শক্তিশালী মিসাইল ব্যবহার করে গত বছর এক আকাশযুদ্ধে ভারতের অত্যাধুনিক রাফাল যুদ্ধবিমানকে ভূপাতিত করেছিল পাকিস্তানের জে-১০সিই ফাইটার জেট।

সম্প্রতি চীনের প্রতিরক্ষা শিল্পের শীর্ষ ১০টি খবরের তালিকায় এই সাফল্যের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, চীনা বিজ্ঞানী ফ্যান হুইতাও এবং তার বিশেষ গবেষক দলের নিরলস প্রচেষ্টায় এই মিসাইল প্রযুক্তি চতুর্থ প্রজন্মে উন্নীত হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংক্ষিপ্ত এক সংঘাত চলাকালীন পাকিস্তান বিমান বাহিনীর জে-১০সিই যুদ্ধবিমান থেকে ছোঁড়া পিএল-১৫ই (রপ্তানি সংস্করণ) মিসাইলটি ভারতীয় রাফাল জেটকে আঘাত করতে সক্ষম হয়। এটি ছিল চীনের এই অত্যাধুনিক মিসাইল ও যুদ্ধবিমান প্রযুক্তির সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে প্রথম বড় কোনো সাফল্য।

এই সাফল্যের কারিগর হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন বিজ্ঞানী ফ্যান হুইতাও। তিনি এবং তার দল '

‘৭/১১’ (সপ্তাহের ৭ দিন, দিনে ১১ ঘণ্টা) শিডিউলে কাজ করে চীনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আমূল বদলে দিয়েছেন। তাদের উদ্ভাবিত এই নতুন প্রযুক্তির ফলে পিএল-১৫ মিসাইলটি এখন অনেক দূর থেকে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করে আঘাত হানতে সক্ষম, যা পশ্চিমা দেশগুলোর সমমানের মিসাইলের চেয়েও অনেক ক্ষেত্রে এগিয়ে।

পিএল-১৫ মিসাইলটির বিশেষত্ব হলো এর দীর্ঘ পাল্লা এবং উন্নত রাডার সিস্টেম। এটি আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেমের সাথে যুক্ত হয়ে অনেক আগেই শত্রু বিমানকে শনাক্ত করতে পারে। ফলে প্রতিপক্ষ কিছু বুঝে ওঠার আগেই এটি ‘ফার্স্ট স্ট্রাইক’ বা প্রথম আঘাত হানতে সক্ষম।

বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা মূলত পশ্চিমা প্রযুক্তির বিপরীতে চীনের সামরিক শক্তির শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই সাফল্যের মাধ্যমে চীন আন্তর্জাতিক অস্ত্র বাজারে তাদের যুদ্ধবিমান ও মিসাইলের শক্ত অবস্থান আরও পাকাপোক্ত করল। সূত্র: এসসিএমপি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়