শিরোনাম
◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা!

প্রকাশিত : ০২ মে, ২০২৬, ০৭:৪৩ বিকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে কারণে ১৮ বছর বয়সে অভিনয়ে নামেন অনিল কাপুর

একটা সময় সুপারস্টার রাজেশ খান্নার একটি সিনেমা ফ্লপ হওয়ায় কার্যত পথে বসেছিল কাপুর পরিবার। সেই চরম অসহায়তা আর বাবার অপমানের বদলা নিতেই মাত্র ১৮ বছর বয়সে স্ট্রাগল শুরু করেছিলেন বলিউড অভিনেতা অনিল কাপুর। 

আজ অনিল কাপুর মানেই ‘ঝাকাস’ এনার্জি আর চিরযৌবন। কিন্তু তার এই সাফল্যের পথ মসৃণ ছিল না বলে জানান অভিনেতা। প্রযোজক বাবার চোখের পানি মুছতে হিরো হওয়ার শপথ নিয়েছিলেন তিনি। চার দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে দিয়েছেন অজস্ত্র হিট সিনেমা।

এ অভিনেতার বাবা সুরিন্দর কাপুর ছিলেন একজন প্রযোজক। তিনি রাজেশ খান্নাকে নিয়ে একটি বড় বাজেটের সিনেমা তৈরি করেছিলেন। সবার আশা ছিল— সিনেমাটি ব্লকবাস্টার হবে, কিন্তু বাস্তবে তা বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল। 

অনিল কাপুর বলেন, বাবা যখন সিনেমার কাজে বেঙ্গালুরু গিয়েছিলেন, ঠিক তখনই এয়ারপোর্টে তাকে কেউ নিতে পর্যন্ত আসেনি। বাড়ি ফিরে বাবার চোখে পানি ছিল না ঠিকই, কিন্তু চোখের কোণটা চিকচিক করছিল। সেই দৃশ্য আমি ভুলতে পারিনি। 

অভাবের দিনগুলোতেও কাপুর পরিবারের আতিথেয়তায় খামতি ছিল না। স্মৃতিচারণা করে অনিল কাপুর বলেন, চেম্বুরে আরকে স্টুডিওর পাশেই আমরা থাকতাম। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আমার মা লেজেন্ডারি রাঁধুনি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কোনো শুটিং চললে আমাদের বাড়ি থেকেই খাবার যেত। বিয়ের সমস্যা হোক কিংবা বাচ্চা হওয়ার পরামর্শ— সবাই মায়ের কাছে ছুটে আসতেন।

১৮-১৯ বছর বয়সেই কাজের সন্ধানে টো টো করে ঘুরে বেড়িয়েছেন অনিল কাপুর। বাবার অসুস্থতার দিনে যখন কোনো বড় হিরো তাদের সিনেমায় কাজ করতে রাজি হচ্ছিল না, তখন অনিল মনে মনে শপথ নিয়েছিলেন— ‘আমাকে হিরো হতেই হবে।’ শেষ পর্যন্ত কঠোর পরিশ্রমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন তিনি। পরবর্তীকালে বাবার প্রযোজনায় ‘লোফার’, ‘জুদাউ’, ‘পুকার’-এর মতো একাধিক সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন  অনিল কাপুর।

যদিও প্রযোজকের ছেলে হওয়া সত্ত্বেও অনিলের জন্য লঞ্চিংয়ের মঞ্চ সাজানো ছিল না। সুরিন্দর কাপুর পরিষ্কার বলে দিয়েছিলেন— অভিনেতা হতে চাও হও, কিন্তু আমি তোমার জন্য সিনেমা বানাব না। কাজ নিজেকেই খুঁজে নিতে হবে। 

এরপরই বাবার হার্ট অ্যাটাক এবং শারীরিক অসুস্থতা অনিলকে মানসিকভাবে বদলে দেয়। অনিল বুঝতে পারেন, বাবার অসম্মান ঘোচাতে হলে তাকে বড় অভিনেতা হতেই হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়