শিরোনাম
◈ পুলিশের দ্রুততম তদন্ত, আদালতের ছুটি বাতিল এই দৃষ্টান্তমূলক রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে ◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ পরিচালক‌দের ‌ভো‌টে তা‌মিম ইকবাল বিসিবির সভাপতি  ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা  ◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা

প্রকাশিত : ২২ মার্চ, ২০২৬, ০৭:৪৪ বিকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অশালীন কনটেন্টের অভিযোগে চাপে নোরা ফাতেহি

বলিউডের ‘আইটেম গার্ল’ খ্যাত অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি এবার বড় ধরনের আইনি জটিলতায় জড়িয়েছেন। সঞ্জয় দত্ত অভিনীত ‘কেডি: দ্য ডেভিল’ ছবির ‘সরকে চুনর তেরি সরকে’ গানটি মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। গানের কথা এবং নোরার নাচের ভঙ্গি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় বয়ে যাওয়ার পর ভারতে গানটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে প্রকাশ্যেই ক্ষমা চেয়েছেন নোরা ফাতেহি। তিনি জানান, প্রায় তিন বছর আগে কন্নড় ভাষায় গানটির শুটিং হয়েছিল। সে সময় এর বিষয়বস্তু নিয়ে আপত্তির কোনো কারণ তিনি খুঁজে পাননি। তবে হিন্দি সংস্করণ সামনে আসার পর গানের কিছু অংশ নোরার কাছেও অস্বস্তিকর মনে হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

একই সঙ্গে নিজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টার অভিযোগ তুলে নোরা বলেন, ‘আমি কোনো তারকাসন্তান নই নিজের পরিশ্রম আর সম্মানই আমার একমাত্র পুঁজি।’ অভিনেত্রীর দাবি, গানের বিষয়ে তিনি আপত্তি জানালেও নির্মাতারা সেটিকে গুরুত্ব দেননি।

তবে ক্ষমা চেয়েও পার পাচ্ছেন না এই মরোক্কান সুন্দরী। ১০ জন আইনজীবীর একটি দল ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নোরার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন। তাদের দাবি, নোরা বারবার এমন সব কনটেন্টে যুক্ত হচ্ছেন যা অশালীন, যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ এবং ভারতীয় সমাজের মূল্যবোধের পরিপন্থী।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, এই ধরনের উপস্থাপনা নারীর মর্যাদার জন্য অসম্মানজনক এবং তরুণ প্রজন্মের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। 

আইনজীবীরা ‘ফরেনার্স অ্যাক্ট, ১৯৪৬’ বা বিদেশি আইনের কথা উল্লেখ করে জানিয়েছেন, কোনো বিদেশি নাগরিকের কার্যকলাপ যদি দেশের শালীনতা বা জনস্বার্থের পরিপন্থী হয়, তবে সরকার তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে। তাদের দাবি ভারতে নোরা ফাতেহির কাজ করার অনুমতি বা ‘ওয়ার্ক পারমিট’ বাতিল করা হোক।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়