শিরোনাম
◈ পুলিশের দ্রুততম তদন্ত, আদালতের ছুটি বাতিল এই দৃষ্টান্তমূলক রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে ◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ পরিচালক‌দের ‌ভো‌টে তা‌মিম ইকবাল বিসিবির সভাপতি  ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা  ◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা

প্রকাশিত : ১৭ নভেম্বর, ২০২৫, ০২:৩৭ দুপুর
আপডেট : ২৪ মে, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বুলডোজার নিয়ে যাওয়া দলকে ‘রাজাকার’ আখ্যা শাওনের

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আরও দুই আসামির বিরুদ্ধে জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণার দিনে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের এলাকায় আবারও দুটি বুলডোজার নিয়ে উপস্থিতি দেখা দিয়েছে।

সোমবার দুপুরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে আবারও দুটি বুলডোজার নেওয়া গেলে ওই সময় ট্রাকের ওপর কয়েকজন তরুণ হাতে মাইক ধরে স্লোগান দিচ্ছিলেন। তারা জানান, ‘রেড জুলাই’ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে বুলডোজার নিয়ে আসা হয়েছে।

এই ঘটনার পর অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন তাদের ‘রাজাকার বাহিনী’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি একটি সংবাদ শেয়ার করে লিখেছেন, ‘মনের ভয়ই আসল ভয়। বারবার ভাঙা, আগুন দেওয়ার পরও তোদের ভয় যায়নি। ধানমন্ডি ৩২-এর এই ভাঙা বাড়ির প্রতিটি ধূলিকণা বাংলাদেশের আকাশে মিশে আছে। একে কীভাবে অস্বীকার করবে, রাজাকার বাহিনী!’

এর আগে, গত বছরের ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বাইরে যাওয়ার পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িতে হামলা চালানো হয় এবং সেখানে লুটপাট ও আগুন ধরানো হয়।

গত বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি ‘বুলডোজার মিছিল’ কর্মসূচির সময় সে বাড়িটি ভাঙা হয়। সেখানে উপস্থিত প্রায় তিন হাজার মানুষ ভিড় করেছিলেন। রাত পৌনে ১১টার দিকে ক্রেন এবং এক্সক্যাভেটর দিয়ে বাড়ি ভাঙার কাজ শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনতলার বাড়ির একটি অংশ ধ্বংস করা হয়। মাঝে বিরতি নেওয়ার পর আরও একটি এক্সক্যাভেটর যোগ দেয়।

মধ্যরাতে সেনাবাহিনী কিছু সময় সেখানে অবস্থান করলেও স্থানীয় জনগণ ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকে এবং পরে তারা চলে যায়। রাতের বেলা সেখানে গান বাজানো ও নাচের দৃশ্যও দেখা যায়। পুরো ভাঙা বাড়িটি নিরাপত্তা সহকারে রেখে দেওয়া হয়েছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়