শিরোনাম
◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ◈ ভালো ব্যাংকও রক্ষা পায়নি, ৬১ ব্যাংকের মধ্যে ৪৪টির অবস্থার অবনতি, বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণের পাহাড় ◈ ভারতে ডেটা সেন্টার খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী রবিন খুদা! ◈ জেল থেকে ফিরে নানা আলোচনার কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী, সরগরম চুনকা কুঠির ◈ মাদকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নাকি আইন হাতে তুলে নেওয়া? ভাইরাল গণপিটুনির ঘটনায় বিতর্ক ◈ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সেই ‘ডলার’কে নিয়ে ভিন্ন কথা বললেন রামিসার বাবা ◈ আদালতের ঐতিহাসিক রায়: ১৬ দিনে বিচার সম্পন্ন, রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ০৪ অক্টোবর, ২০২৫, ০৭:৪৮ বিকাল
আপডেট : ২৮ মে, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৯৪ বছর বয়সে মারা গেলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী সন্ধ্যা শান্তরাম

হিন্দি ও মারাঠি সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেত্রী সন্ধ্যা শান্তরাম আর নেই। শনিবার (৪ অক্টোবর) ৯৪ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। এই প্রবাদপ্রতিম অভিনেত্রী ছিলেন স্বনামধন্য চলচ্চিত্র নির্মাতা ভি শান্তরামের স্ত্রী।

বর্ষীয়ান এই অভিনেত্রীর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন মহারাষ্ট্রের তথ্য-প্রযুক্তি ও সংস্কৃতি মন্ত্রী আশিস শেলার।

ইন্সটাগ্রামের এক পোস্টে তিনি লেখেন, “আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি! ‘পিঞ্জরা’ সিনেমার প্রসিদ্ধ অভিনেত্রী সন্ধ্যা শান্তরামজির প্রয়াণের খবর অত্যন্ত দুঃখজনক। হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্রে তাঁর অদ্বিতীয় অভিনয় ও নৃত্যশৈলী এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছিল। তাঁর ‘ঝনক ঝনক পায়েল বাজে’, ‘দো আঁখেন বারাহ হাত’ ও বিশেষ করে ‘পিঞ্জরা’ ছবির অভিনয় দর্শকদের মনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ঈশ্বর তাঁর আত্মার চিরশান্তি দান করুন।

‘মুম্বাই তাক’-এর প্রতিবেদনে জানা গেছে, সন্ধ্যা শান্তরামের মরদেহ প্যারেলের রাজকমল স্টুডিও থেকে নেওয়া হবে এবং শিবাজি পার্কের বৈকুণ্ঠধামে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

১৯৫১ সালে মারাঠি চলচ্চিত্র ‘ভূপালী’ দিয়ে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন সন্ধ্যা শান্তরাম। এরপর ১৯৫৫ সালের মিউজিক্যাল ড্রামা ‘ঝনক ঝনক পায়েল বাজে’-তে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান তিনি। প্রশিক্ষিত শাস্ত্রীয় নৃত্যশিল্পী হিসেবে তাঁর কথক নৃত্য এবং পর্দায় উপস্থিতি দর্শকদের মুগ্ধ করেছিল।

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি উপহার দিয়েছেন একের পর এক স্মরণীয় ছবি—‘দো আঁখেন বারাহ হাত’, ‘ঝনক ঝনক পায়েল বাজে’, ‘নাভারং’, ‘সেহরা’ ও ‘পিঞ্জরা— যা আজও দর্শকদের মনে অমলিন। সূত্র: কালের কণ্ঠ 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়