শিরোনাম
◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা  ◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ◈ ভালো ব্যাংকও রক্ষা পায়নি, ৬১ ব্যাংকের মধ্যে ৪৪টির অবস্থার অবনতি, বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণের পাহাড় ◈ ভারতে ডেটা সেন্টার খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী রবিন খুদা!

প্রকাশিত : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৬:৪৩ বিকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সেনাপ্রধানের প্রতি যে আহ্বান জানালেন সোহেল রানা

স্বাধীনতার পর বাংলা সিনেমায় যে কয়জন আলো ছড়িয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা। প্রযোজনার পাশাপাশি দর্শকদের উপহার দিয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমা। অভিনয়ের বাইরে তার আরও একটি পরিচয় তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। গর্ব করার মতো সেই পরিচয় ও সার্টিফিকেট নিয়ে এখন অনেকটাই অনুতপ্ত-বিরক্ত এই নায়ক। যা কিছুদিন আগেই তিনি জানিয়েছেন।

তবে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে সম্মানসূচক বক্তব্য দেওয়ায় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়েছে ঢাকাই চলচ্চিত্রের একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা। বুধবার এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এ ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রদান করা কার্ডকে ভিআইপি হিসেবে ঘোষণা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

সোহেল রানা বলেন, ‘জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান স্যার আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। মুক্তিযোদ্ধা এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে আপনি যে সম্মানসূচক কথাগুলো বলেছেন সে কারণে জন্য আমরা যারা মুক্তিযোদ্ধা জীবিত আছি তারা সবাই অত্যন্ত আনন্দিত।’

মুক্তিযোদ্ধাদের কার্ডকে ভিআইপি মর্যাদা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মূল্যহীন মুক্তিযোদ্ধা কার্ড এটাকে এবার আপনি একটা স্ট্যাটাস দিয়ে যান এই কার্ডগুলোকে ভিআপি কার্ড বলে ডিক্লেয়ার করার ব্যবস্থা করুন এবং সঙ্গে সঙ্গে এটাও ঘোষণা করুন যে এই কার্ডের সুবিধা কার্ড হোল্ডার ব্যতীত আর কেউ ইনহেরিট করতে পারবে না। আমার বিশ্বাস, ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে এই কার্ড আর কেউ চাইবে না কারণ জীবিত কোনো মুক্তিযোদ্ধা তখন আর বেঁচে থাকবেন না। ধন্যবাদ আপনাকে আবার।’

এর আগে এই কার্ড নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করে সোহেল রানা বলেছিলেন, ‘কী হবে এই মুক্তিযোদ্ধা কার্ড দিয়ে আর এই কার্ডের কাজ কী? যার কোনো মূল্যই নেই এ দেশে। বিগত সরকার থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত এক্সট্রা কোনো সুবিধা পাওয়া যায় না এই কার্ডে; না ভিআইপি, না সিআইপি। যেখানেই যাবেন সাধারণ মানুষের মতো করেই আপনাকে চলতে হবে। আমি আমার কার্ড বাসায় ফেলে রেখেছি।

ওটা কোনো কাজের না। যা করেছি আমি নিজ দেশের জন্য করেছি, এটাই সান্ত্বনা।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়