শিরোনাম
◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস

প্রকাশিত : ২৪ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৪৪ দুপুর
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোটিপতি কৃষক সজল, কর্মচারীদের বেতনই দেন ৫ লাখ টাকা! (ভিডিও)

নিজের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং কৃষি কাজের প্রতি ভালোবাসা দিয়ে কোটিপতি হয়েছেন চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মানিকপুর সীমান্ত গ্রামের কৃষক সজল আহমেদ। বর্তমানে তিনি সমন্বিত ফল চাষের মাধ্যমে শুধু নিজেই স্বাবলম্বী হননি, এলাকার ৪২ জন মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি করেছেন।

এই ব্যতিক্রমী কৃষককে নিয়ে বিস্তারিত তথ্য:

বিশাল কৃষি সাম্রাজ্য: ২০০৯ সালে মাত্র সাত বিঘা জমি নিয়ে বরই ও পেয়ারা চাষ শুরু করলেও বর্তমানে সজল আহমেদের মোট ১০টি বাগান রয়েছে, যা প্রায় ১৩৯ বিঘা জমি জুড়ে বিস্তৃত।

ফলের বৈচিত্র্য: তার বাগানে দেশি ফলের পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন বিদেশি জাতের ফল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—কমলা, মালটা, বারোমাসি গোলাপি কাঁঠাল, মিষ্টি তেঁতুল, রামবুটান, অ্যাভোকাডো, লংগান ও সৌদি খেজুর। এছাড়াও তার ৫টি ছোট নার্সারিও রয়েছে।

আয় ও মুনাফা: সজল আহমেদ প্রতি বছর তার বাগান থেকে প্রায় ৪ কোটি টাকার ফল বিক্রি করেন। সব খরচ বাদ দিয়ে বছর শেষে তার প্রায় দেড় কোটি টাকা লাভ থাকে।

কর্মসংস্থান: তার এই বিশাল কর্মযজ্ঞে বর্তমানে ৪২ জন শ্রমিক কাজ করেন। তিনি প্রতি মাসে শুধুমাত্র কর্মচারীদের বেতন বাবদ প্রায় ৫ লাখ টাকা খরচ করেন।

শুরুর দিকের চ্যালেঞ্জ: প্রথম যখন তিনি এই চাষ শুরু করেন, তখন এলাকার মানুষজন তাকে পাগল বলে তিরস্কার করত। তবে প্রথম বছরেই ভালো লাভ হওয়ায় তিনি এই কাজে আরও মনোযোগী হন এবং চাষাবাদের পরিধি বাড়াতে থাকেন।

দর্শনার্থীর ভিড়: বর্তমানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষজন তার এই ফলের রাজ্য দেখতে আসেন। দর্শনার্থীরা বাগান থেকে নিজ হাতে পেড়ে টাটকা ফল ও কমলার স্বাদ নেন, যা বাজারের ফলের তুলনায় সুস্বাদু ও টাটকা বলে তারা জানান।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়