শিরোনাম
◈ উত্তরবঙ্গের আকাশপথে নতুন দিগন্ত, ৩ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে বদলে যাচ্ছে বগুড়া বিমানবন্দর ◈ বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হচ্ছে : সংসদে খাদ্যমন্ত্রী ◈ বজ্রপাত ও দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে আধুনিক প্রযুক্তির দিকে যাচ্ছে সরকার : সংসদে ত্রাণমন্ত্রী ◈ আফগা‌নিস্তান নাজেহাল, একদিনেই দু’বার অলআউট করে ৩০০ রা‌নে টেস্ট জিতলো ভারত ◈ ‘অনেক হয়েছে, এবার শেষ করা যাক’: সরাসরি সম্প্রচারে মেজাজ হারালেন ট্রাম্প, সাক্ষাৎকার ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন ◈ বাজেট ২০২৬-২৭: উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেলে টিআইএন, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৪৮০০ জনকে প্রত্যাবাসনের দাবি, নতুন তথ্য দিলেন শুভেন্দু ◈ অবহেলা, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ◈ ইসলামী ব্যাংকে আস্থার সংকট: পাঁচ দিনে ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন ৩৫০০ কোটি টাকা ◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার

প্রকাশিত : ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১৩ রাত
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রামপালে সরকারি খালের ওপর নির্মিত অবৈধ বাঁধ অপসারণ, উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে স্বাভাবিক হলো পানি প্রবাহ

এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি: বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় সরকারি খালের ওপর নির্মিত অবৈধ বাঁধ অপসারণ করেছে উপজেলা প্রশাসন। প্রশাসনের এ অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হওয়ায় স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ঝনঝনিয়া-নালিয়ার খালে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী।

অভিযান চলাকালে দেখা যায়, খালের ওপর অবৈধভাবে মাটি ফেলে বাঁধ নির্মাণ করে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছিল। এতে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আশপাশের কৃষিজমিতে সেচ ব্যবস্থায় সমস্যা দেখা দেয়। একই সঙ্গে জলাবদ্ধতা, পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা এবং স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছিল।

প্রশাসনের উপস্থিতিতে অবৈধ বাঁধ কেটে অপসারণ করা হলে খালের পানি দ্রুত স্বাভাবিক গতিতে প্রবাহিত হতে শুরু করে। এতে এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী জানান, সরকারি খালে অবৈধভাবে বাঁধ দিয়ে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসার পর তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তিনি বলেন, “খালটি এলাকার কৃষি উৎপাদন, পানি নিষ্কাশন ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অবৈধ বাঁধ অপসারণের মাধ্যমে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে কেউ যদি সরকারি খাল, নদী বা জলাশয়ে অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণ কিংবা দখলদারিত্বের চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভিযান চলাকালে স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এলাকাবাসী প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, খালের পানি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় কৃষিকাজে সুবিধা হবে এবং জলাবদ্ধতা সমস্যাও কমবে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, সরকারি খাল ও জলাশয় রক্ষায় নিয়মিত মনিটরিং ও দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে পরিবেশ রক্ষা, কৃষি উন্নয়ন এবং জনস্বার্থ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়