শিরোনাম
◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক ◈ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা ◈ ভারতের সব কর্মীকে ছাঁটাই করল ওপেনডোর, কারণ দেখালো ‘গ্রাহকরা আমেরিকায়’ ◈ বেনাপোল বন্দরের শেড থেকে উধাও ৬ কোটি টাকার পণ্য, ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা ◈ বাংলাদেশের বাজেট ইতিহাস: তাজউদ্দীন থেকে আমির খসরু, কে কত দিলেন? ◈ অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল বাংলাদেশের অর্থনীতি, নতুন রেকর্ড জিডিপিতে ◈ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের তথ্য দিয়ে আমাকে ব্ল্যাকমেল করতে চেয়েছিল এপস্টেইন: বিল গেটস ◈ ব্রাজিলকে হালকাভাবে নিলে ভুগতে হবে, বিশ্বকাপে নামার আগে মিডফিল্ডার ব্রুনোর হুম‌কি

প্রকাশিত : ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৬:৪৮ বিকাল
আপডেট : ২১ মে, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুরে পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে উদ্ধার ৭টি ককটেল সদৃশ বস্তু, এলাকায় আতঙ্ক

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুর শহরের আলীপুর এলাকায় একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে ককটেল সদৃশ সাতটি বিস্ফোরক বস্তু উদ্ধার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।

রবিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাত আনুমানিক ৩টার দিকে আলীপুর এলাকার একটি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত বাড়িতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় কোতোয়ালি থানা পুলিশ। 

অভিযানের সময় ওই বাড়ির একটি কক্ষ থেকে প্লাস্টিকের কৌটায় কসটিপ দিয়ে মোড়ানো ককটেল সদৃশ সাতটি বস্তু উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত বস্তুগুলো তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপত্তার স্বার্থে কোতোয়ালি থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং পানি ভর্তি বালতিতে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, বাড়িটি দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকায় দুষ্কৃতিকারীরা এটিকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বেছে নিতে পারে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভবিষ্যতে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালানো অথবা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যেই এসব বস্তু সেখানে মজুদ করে রাখা হয়েছিল। তবে কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এসব বস্তু রেখে গেছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে উদ্ধারকৃত বস্তুগুলো বিস্ফোরক কি না, তা নিশ্চিত করতে এবং নিরাপদভাবে নিষ্ক্রিয় করার লক্ষ্যে ফরিদপুর জেলা স্টেডিয়াম সংলগ্ন আর্মি ক্যাম্প থেকে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষজ্ঞ দল কোতোয়ালি থানায় পৌঁছেছে।

সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে বস্তুগুলোর পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও নিষ্ক্রিয়করণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ সময় থানার আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভোর রাত ৩টার দিকে অভিযান চালিয়ে ককটেল সদৃশ বস্তুগুলো উদ্ধার করা হয়। 

তিনি বলেন, “প্লাস্টিকের কৌটায় কসটিপ দিয়ে মোড়ানো থাকায় এগুলো আদৌ ককটেল, হাতবোমা বা অন্য কোনো বিস্ফোরক কি না—তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে জনমনে ভীতি সঞ্চারের উদ্দেশ্যে এগুলো সেখানে রাখা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু হয়েছে। আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। তবে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়