শিরোনাম
◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৭:০৪ বিকাল
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জীবননগরে রেকর্ড ফলন, ভালো দামে ফুলকপি চাষে সমৃদ্ধ হচ্ছেন প্রান্তিক কৃষকরা

জামাল হোসেন খোকন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা): চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে শীতকালীন ফুলকপি চাষে আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরে পাচ্ছেন প্রান্তিক কৃষকরা। অল্প সময়ে বেশি লাভ হওয়ায় এ মৌসুমে ফুলকপি চাষ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। বাজারে ন্যায্য দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে এখন সন্তুষ্টির হাসি।

উপজেলার বিভিন্ন ফসলের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে—শীতকালীন সবজিতে ভরে গেছে মাঠ। এর মধ্যে ফুলকপির চাষ হয়েছে ব্যাপকভাবে। জমি থেকে তুলেই কৃষকরা বাজারজাত করছেন কপি। ট্রাক বোঝাই করে পাঠানো হচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে। ফলে উৎপাদন ও বাজার—দুই দিকেই ভালো অবস্থানে রয়েছেন চাষিরা। সাথী ফসল হিসেবেও অনেকে ফুলকপি চাষ করে বাড়তি আয় করছেন।

বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে ফুলকপি পাইকারি বিক্রি হচ্ছে মণপ্রতি ১২০০ টাকা দরে। খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি মূল্য ৪০ টাকা।

আন্দলবাড়িয়া করচাডাঙ্গাঁ  গ্রামের চাষি আজিবার রহমান জানান, “গতবার ভালো লাভ হওয়ায় এবারও ১ বিঘা জমিতে নিনজা জাতের ফুলকপি চাষ করেছি। প্রায় ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। পুরো জমির কপি একবারেই ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। খরচ বাদে আড়াই মাসে ৫০ হাজার টাকা লাভ হয়েছে।”

বাঁকা গ্রামের চাষি আবু জাফর বলেন, “কচু চাষে লোকসান হওয়ায় সেই জমিতে ফুলকপি লাগাই। এবার ফলনও ভালো, বাজারও ভালো। পাইকারি ১১০০–১২০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে। এক বিঘায় প্রায় ১০০ মণ কপি উঠছে। এমন দাম থাকলে ভালো লাভ হবে।”

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন জানান, “এবার প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও রোগবালাই কম থাকায় শীতকালীন সবজির ফলন ভালো হয়েছে। কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। উপজেলায় মোট ২৫৬ একর জমিতে ফুলকপি চাষ হয়েছে। কৃষকরা ভালো দাম পাচ্ছেন এবং লাভবান হচ্ছেন।“

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়