শিরোনাম
◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৬:৫৪ বিকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জীবননগর চেচোগাড়ি বিলে পাখি শিকার বন্ধে জরুরি সমন্বিত ব্যবস্থা প্রয়োজন

জামাল হোসেন খোকন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা): চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সুটিয়া-শ্রীরামপুর সড়কের পূর্ব পাশে বিস্তৃত চেচোগাড়ি বিল একসময় ছিল অতিথি পাখির নিরাপদ আশ্রয়স্থল। হাসাদাহ, সুটিয়া ও শ্রীরামপুর—এই তিন গ্রামের সংযোগে গড়ে ওঠা বিলটি অতীতে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর থাকলেও এখন প্রায় মৃতপ্রায়। অধিকাংশ জায়গায় ধান চাষ হয়; বছরজুড়ে সামান্য অংশে পানি থাকে। তবু বিলের প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর নির্ভরশীল মাছ ও স্থানীয় পাখির আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মতো।

কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে নির্বিচারে পাখি শিকারের কারণে বিলটি আজ পাখিশূন্য হয়ে পড়েছে। স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, সুটিয়া গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম (ন্যাটা)-এর ছেলে রেজাউল শীত মৌসুমে তিন মাস ধরে বিলের বিভিন্ন স্থানে কারেন্ট জাল পেতে পাখি শিকার করে। জালের পাশে সাদা পলিথিন দিয়ে অস্থায়ী তাবু বানিয়ে সে নিয়মিত শিকার কাজে অবস্থান করে। এসব জালে স্থানীয় উপকারী পাখি—ফিঙ্গেরাজা, শালিকসহ অসংখ্য প্রজাতি আটকা পড়ে মারা যাচ্ছে, যার ফলে নষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও পরিবেশগত ভারসাম্য।

পরিবেশবিদরা বলেন, পাখি শুধু জীববৈচিত্র্যের অংশই নয়, কৃষির জন্যও অত্যন্ত উপকারী। আর দেশের বিলে-বিলে অতিথি পাখির আগমন গ্রামীণ পরিবেশে সৌন্দর্য ও প্রাণবন্ততা যোগ করে। তাই চেচোগাড়ি বিলে এ ধরনের শিকার বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগকে দ্রুত সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান স্থানীয় সচেতন মহল।

জরুরি ভিত্তিতে বিল পরিদর্শন করে অবৈধ জাল সংগ্রহ ও ধ্বংস, শিকারিদের আইনের আওতায় আনা এবং ভবিষ্যতে এমন কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নিয়মিত মনিটরিং—এসব ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।

পাখি-প্রাণের বিল চেচোগাড়িকে রক্ষা করতে না পারলে হারিয়ে যাবে এলাকার এক মূল্যবান পরিবেশগত সম্পদ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়