শিরোনাম
◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ২৩ মে, ২০২৬, ০১:২২ দুপুর
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশে নারী-শিশু নির্যাতন বেড়েছে, বিচারহীনতা বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ চায় ইউনিসেফ

বাংলাদেশে সম্প্রতি শিশু ও নারীদের ওপর নির্মম সহিংসতা, ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)। বিশেষ করে যে জায়গাগুলোতে শিশুরা নিরাপদ থাকার কথা, সেখানেই তারা নির্মমতার শিকার হচ্ছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে। 

শুক্রবার (২২ মে) এক বিবৃতিতে ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, শিশুদের ওপর এই বর্বরতা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

বিবৃতিতে রানা ফ্লাওয়ার্স উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালের শুরু থেকে বাংলাদেশে নারী ও শিশুদের ওপর যৌন ও পাশবিক সহিংসতা বৃদ্ধির খবর পাওয়া যাচ্ছে। এটি দেশব্যাপী শিশু এবং জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করার জরুরি প্রয়োজনীয়তাকে সামনে এনেছে। তিনি অপরাধীদের বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান ঘটানোর দাবি জানান। একইসঙ্গে প্রতিরোধ ব্যবস্থা, সহিংসতা রিপোর্টিং, প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা, শিশু-বান্ধব পুলিশ ও বিচার ব্যবস্থা এবং সামাজিক সেবা খাতের ঘাটতিগুলো দ্রুত সমাধানের তাগিদ দেন।

তিনি আরও বলেন, সহিংসতা তখনই ছড়ায় যখন সমাজ নীরব থাকে। তাই সহিংসতা, নির্যাতন বা শোষণের ঘটনা ঘটলে তা চেপে না রেখে তাৎক্ষণিকভাবে শিশু হেল্পলাইন ১০৯৮-সহ অন্যান্য সুরক্ষা সেবার মাধ্যমে রিপোর্ট করার জন্য ইউনিসেফ আহ্বান জানাচ্ছে।

ইউনিসেফ প্রতিনিধি নারী ও শিশুদের জন্য মানসিক ও সামাজিক সহায়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি স্কুল, মাদ্রাসা, কর্মক্ষেত্র, পাড়া-মহল্লা এবং কেয়ার সেন্টারগুলোর জবাবদিহিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের মর্যাদা ও গোপনীয়তা রক্ষার প্রতি বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে। ইউনিসেফ জানায় যে, ভুক্তভোগীদের ছবি, ভিডিও বা পরিচয় প্রকাশ করা এক ধরণের পুনর্নির্যাতন। যারা এগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার বা রি-শেয়ার করছেন, তারা মূলত ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের মানসিক ট্রমা এবং কষ্ট আরও বাড়িয়ে দিচ্ছেন।

তাই সাধারণ জনগণ, গণমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের প্রতি ভুক্তভোগীদের অধিকারের প্রতি সম্মান জানানোর এবং এই ধরণের ছবি বা ভিডিও শেয়ার করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করা হয়েছে। রানা ফ্লাওয়ার্স পরিশেষে বলেন, প্রতিটি শিশুর সমাজ, বিদ্যালয়, ঘর—এমনকি পাবলিক স্পেসে তাদের গল্প বা ছবি উপস্থাপনের ক্ষেত্রেও সুরক্ষিত থাকার অধিকার রয়েছে। অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে এবং সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে আওয়াজ তোলার আহ্বান জানান তিনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়