শিরোনাম
◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ১৯ মে, ২০২৬, ০৭:১৭ বিকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রহস্যময় সোনার গ্রহাণুর দিকে এগোচ্ছে নাসা

মঙ্গল গ্রহ ও বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথের মধ্যবর্তী এক স্থানে বিশাল একটি ধাতব গ্রহাণু নীরবে মহাকাশের বুকে ভেসে বেড়াচ্ছে। সাধারণ পাথুরে গ্রহাণুর তুলনায় এটি একেবারেই আলাদা। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, ১৬ সাইকি নামের গ্রহাণুটিতে প্রচুর পরিমাণে লোহা, নিকেল, প্লাটিনামের পাশাপাশি পৃথিবীতে এ পর্যন্ত উত্তোলিত মোট সোনার চেয়েও বেশি পরিমাণ সোনা মজুত রয়েছে। এসব খনিজের বাজারমূল্য অনেক বেশি বলে গ্রহাণুটিকে ট্রিলিয়ন ডলারের গ্রহাণু বা মহাকাশের গুপ্তধন হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে। আর তাই বিপুল খনিজের সন্ধান পাওয়ার পাশাপাশি গ্রহাণুটির বিস্তারিত তথ্য জানতে এরই মধ্যে স্পেসএক্সের ফ্যালকন হেভি রকেটের মাধ্যমে মহাকাশযানও উৎক্ষেপণ করেছে নাসা।

১৮৫২ সালে ইতালির বিজ্ঞানী অ্যানিবালে দে গ্যাসপ্যারিস প্রথম সাইকি গ্রহাণু আবিষ্কার করেন। প্রায় ২২০ কিলোমিটার বিস্তৃত এই গ্রহাণুটি সৌরজগতের অন্যান্য পাথুরে বা বরফাবৃত গ্রহাণুর চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিজ্ঞানীদের ধারণা, কোটি কোটি বছর আগে সৌরজগতের গঠনের সময় কোনো শক্তিশালী সংঘর্ষের ফলে একটি গ্রহের বাইরের স্তর বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। সাইকি হলো সেই ধ্বংসপ্রাপ্ত গ্রহের অবশিষ্টাংশ বা ধাতব কেন্দ্র।

নাসার তথ্যমতে, বর্তমানে গ্রহাণুটি কোটি কোটি কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে গ্রহাণু বেল্টের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, ২০২৯ সালে এটি তার গন্তব্যে পৌঁছাবে। গ্রহাণুটির তথ্য সংগ্রহের জন্য ২০২৩ সালের অক্টোবরে একটি মহাকাশযান পাঠানো হয়েছে। সেই মহাকাশযান গ্রহাণুতে অবতরণ না করে সেটির গঠন, চৌম্বকক্ষেত্র, মহাকর্ষ এবং পৃষ্ঠতলের ভূতত্ত্ব বিশ্লেষণ করবে।

পৃথিবী এবং অন্যান্য পাথুরে গ্রহের কেন্দ্রগুলো পৃষ্ঠ থেকে হাজার হাজার কিলোমিটার গভীরে অবস্থিত, যেখানে সরাসরি পৌঁছানো মানুষের পক্ষে অসম্ভব। যদি সাইকি সত্যিই কোনো প্রাচীন গ্রহের উন্মুক্ত কেন্দ্র হয়, তবে এটি আমাদের গ্রহের অভ্যন্তরীণ গঠন বোঝার প্রথম সরাসরি সুযোগ করে দেবে। এটি পৃথিবী কীভাবে গঠিত হয়েছিল, কীভাবে চৌম্বকক্ষেত্র তৈরি হয়েছিল এবং আদি সৌরজগতের ভয়াবহ সংঘর্ষগুলো মহাবিশ্বকে কীভাবে রূপ দিয়েছিল, সেই প্রশ্নের উত্তর জানা যাবে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়