শিরোনাম
◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা!

প্রকাশিত : ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ০৩:২৬ দুপুর
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইন্টারনেটে দেশের তরুণ-তরুণীরা কী বেশি খোঁজে? জানাল জরিপ

দেশের তরুণ-তরুণীদের ডিজিটাল অভ্যাসে সবচেয়ে বড় জায়গা দখল করে আছে চাকরির তথ্য অনুসন্ধান। অনলাইনে প্রবেশ করলেই অধিকাংশ তরুণের লক্ষ্য থাকে সরকারি চাকরির খোঁজ। এর পাশাপাশি ক্রীড়াবিষয়ক তথ্যও তাদের আগ্রহের শীর্ষে রয়েছে; এমনই চিত্র উঠে এসেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাম্প্রতিক জরিপে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিবিএস অডিটোরিয়ামে প্রকাশিত সংস্থাটির সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, দেশের তরুণ-তরুণীরা অনলাইনে সবচেয়ে বেশি সার্চ করেন সরকারি চাকরির তথ্য। এটি ৬৪ দশমিক ২ শতাংশ। চাকরির তথ্যের পরেই পছন্দের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ক্রীড়া সংক্রান্ত তথ্য, যা ৪৯ দশমিক ৮ শতাংশ। এ ছাড়া প্রতিদিন ৭২ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ অন্তত একবার ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন।

বিবিএসের আইসিটি প্রয়োগ ও ব্যবহারিক জরিপে আরও দেখা যায়, স্মার্টফোন ব্যবহারের শীর্ষে কুমিল্লা, সর্বনিম্ন কুড়িগ্রাম। ইন্টারনেট ব্যবহারে শীর্ষে ঢাকা। এটি ৬৫ দশমিক ৪ শতাংশ পরিবার। আর সর্বনিম্ন ময়মনসিংহে, যা ৩৭ দশমিক ৮ শতাংশ পরিবার।

গত তিন মাসে ১১ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ অনলাইনে পণ্য বা সেবা ক্রয় করেছেন। আর গত এক বছরে ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ অনলাইনে সরকারি সেবা গ্রহণ করেছেন। দেশে অনলাইন দক্ষতার মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে কপি-পেস্ট করার সক্ষমতা। এটি ৮৪ দশমিক ৪ শতাংশ।

ডিজিটাল ঝুঁকির ক্ষেত্রে ৫০ দশমিক ৫ শতাংশ ব্যবহারকারী ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার সংক্রমণের মুখে পড়েছেন। পরিবার পর্যায়ে মোবাইল ফোনে প্রবেশাধিকার রয়েছে ৯৮ দশমিক ৯ শতাংশের, ইন্টারনেট ৫৫ দশমিক ১ শতাংশ এবং কম্পিউটার মাত্র ৯ দশমিক ০ শতাংশ।

ব্যক্তি পর্যায়ে মোবাইল ব্যবহার করেন ৮৮ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ, ইন্টারনেট ব্যবহার করেন ৫৩ দশমিক ৪ শতাংশ এবং কম্পিউটার ব্যবহার করেন ১১ দশমিক ৩ শতাংশ। ইন্টারনেট ব্যবহারে শহর-গ্রামে রয়েছে বড় ধরনের বৈষম্য। গ্রামে ৪৩ দশমিক ৬ শতাংশ, শহরে ৭৫ দশমিক ৭ শতাংশ।

মোবাইল মালিকানায় পুরুষরা এগিয়ে। এর হার ৭০ দশমিক ০ শতাংশ, যেখানে নারীর হার ৫৮ দশমিক ৯ শতাংশ। ইন্টারনেট ব্যবহারে পুরুষ ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ এবং নারী ৫০ দশমিক ২ শতাংশ। বেশি দামের কারণে ৪৩ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট সেবা গ্রহণ করেন না।

এছাড়া মুঠোফোনে রেডিও শোনার প্রবণতা বাড়ছে, বিপরীতে কমছে টেলিভিশনের ব্যবহার; জরিপে এমন তথ্যও উঠে এসেছে।

আইসিটির উন্নয়নে বাংলাদেশ এখনও মায়ানমার ও শ্রীলঙ্কার চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। যদিও দেশে ৯৮ দশমিক ৯ শতাংশ পরিবার মুঠোফোন ব্যবহার করছে এবং স্মার্টফোন রয়েছে ৭২ দশমিক ৭ শতাংশ পরিবারের হাতে। একই সঙ্গে ৯৮ দশমিক ৫ শতাংশ পরিবার বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়