শিরোনাম
◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা!

প্রকাশিত : ৩০ মার্চ, ২০২৬, ০৮:৪০ সকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইলন মাস্ককে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন মার্ক জুকারবার্গ

প্রযুক্তি দুনিয়ার দুই আলোচিত নাম মার্ক জুকারবার্গ ও ইলন মাস্ক। তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা সময়েই আলোচনা হয়েছে। একসময় উত্তেজনা এতটাই বেড়েছিল যে, দুজনের মধ্যে ‘কেজফাইট’ হওয়ার কথাও উঠেছিল।

তবে সাম্প্রতিক নথি বলছে, সেই সম্পর্কের বরফ অনেকটাই গলেছে। আদালতে জমা দেওয়া এক মামলার নথিতে দেখা গেছে, জুকারবার্গ নিজেই মাস্ককে বার্তা পাঠিয়ে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন।

নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি এই বার্তা আদান-প্রদান হয়। ওই সময় মার্ক জুকারবার্গ একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে করপোরেট আমেরিকা নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন।

বার্তায় জুকারবার্গ লিখেছেন, সরকারের কার্যক্রম কমানোর উদ্যোগে গঠিত ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি’ অগ্রগতি করছে। তিনি আরও জানান, তার টিম প্রস্তুত রয়েছে। যদি মাস্কের টিমকে লক্ষ্য করে কোনো হুমকি বা ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস (ডক্সিং) সংক্রান্ত কনটেন্ট ছড়ায়, তা সরিয়ে দিতে।

তিনি লেখেন, “আপনার টিমের বিরুদ্ধে হুমকি বা ডক্সিং হলে আমরা ব্যবস্থা নেব। আরও কিছু দরকার হলে জানাবেন।”

এই বার্তার জবাবে ইলন মাস্ক একটি হৃদয়ের ইমোজি পাঠান। পরে তিনি আরেকটি প্রশ্ন তোলেন। জানতে চান, ওপেনএআই অধিগ্রহণে যৌথভাবে বিড করার বিষয়ে জুকারবার্গ আগ্রহী কি না।

এর জবাবে জুকারবার্গ ফোনে আলোচনা করার প্রস্তাব দেন। তবে পরে প্রকাশিত নথি বলছে, শেষ পর্যন্ত তিনি সেই প্রস্তাবে যুক্ত হননি। এই বার্তাগুলো প্রকাশ পায় মাস্কের করা একটি মামলার অংশ হিসেবে। মামলাটি অপেনএআই-কে ঘিরে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, প্রযুক্তি খাতে প্রতিযোগিতা থাকলেও বড় ইস্যুতে শীর্ষ উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বিশেষ করে এআই ও নীতিনির্ধারণী বিষয়গুলোতে এই যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

সব মিলিয়ে, জুকারবার্গ–মাস্ক সম্পর্কের এই নতুন দিক প্রযুক্তি অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়