শিরোনাম
◈ ভারতে ডেটা সেন্টার খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী রবিন খুদা! ◈ জেল থেকে ফিরে নানা আলোচনার কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী, সরগরম চুনকা কুঠির ◈ মাদকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নাকি আইন হাতে তুলে নেওয়া? ভাইরাল গণপিটুনির ঘটনায় বিতর্ক ◈ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সেই ‘ডলার’কে নিয়ে ভিন্ন কথা বললেন রামিসার বাবা ◈ আদালতের ঐতিহাসিক রায়: ১৬ দিনে বিচার সম্পন্ন, রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৯:০০ রাত
আপডেট : ০৪ মে, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্যবহৃত মোবাইল বিক্রির বিষয়ে নতুন নির্দেশনা বিটিআরসির

ব্যবহৃত মোবাইল ফোন হস্তান্তর বা বিক্রির আগে অবশ্যই নিবন্ধন বাতিল করতে হবে—এ বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)’ সিস্টেম পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর পর এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মোবাইল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১ জানুয়ারি থেকে এনইআইআর সিস্টেম পূর্ণরূপে কার্যকর হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশে সচল থাকা সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়েছে এবং অবৈধ বা চোরাই মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়েছে।

বিটিআরসি জানিয়েছে, নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিম পরিবর্তন, হস্তান্তর বা বিক্রির আগে অবশ্যই ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ হ্যান্ডসেটটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) থেকে অবমুক্ত করতে হবে। ডি-রেজিস্ট্রেশনের জন্য সিম ক্রয়ের সময় ব্যবহৃত ডকুমেন্টের—জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে।

বিটিআরসি আরও জানিয়েছে, ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য তাদের ওয়েবসাইট neir.btrc.gov.bd থেকে পাওয়া যাবে। এছাড়া প্রয়োজন হলে বিটিআরসির কল সেন্টার ১০০ নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকে সহায়তা নেওয়া যাবে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়