শিরোনাম
◈ এমপিদের সরাসরি তহবিল বরাদ্দ বাতিল, প্রকল্প অনুমোদন দেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ◈ পুলিশের দ্রুততম তদন্ত, আদালতের ছুটি বাতিল এই দৃষ্টান্তমূলক রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে ◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ পরিচালক‌দের ‌ভো‌টে তা‌মিম ইকবাল বিসিবির সভাপতি  ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা 

প্রকাশিত : ১০ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:১০ সকাল
আপডেট : ০৫ মে, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাত্র ৩ মিনিটের আলো থেরাপিতে অন্ধত্বের স্থায়ী সমাধান, সুইস গবেষকদের যুগান্তকারী আবিষ্কার

সুইজারল্যান্ডের বাসেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা সম্প্রতি এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন, যা চোখের রেটিনার ক্ষতি পুনরায় ঠিক করতে সক্ষম এবং স্থায়ীভাবে অন্ধত্ব প্রতিরোধ করতে পারে। বিশেষত, মাকুলার ডিজেনারেশন, ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি এবং রেটিনাইটিস পিগমেন্টোসা রোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত রেটিনাকে এই পদ্ধতি পুনর্জীবিত করতে পারে।

কীভাবে কাজ করে থেরাপি

গবেষকরা দেখেছেন, নিয়ার-ইনফ্রারেড লাইটের ৬৭০-ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্য রেটিনার কোষকে পুনরুজ্জীবিত করে। এই আলো চোখের ভেতরে প্রবেশ করে ফটোরিসেপ্টর কোষের মাইটোকন্ড্রিয়াকে সক্রিয় করে। ফটোরিসেপ্টর কোষগুলো সাধারণত রেটিনার রোগে মারা যায়, কিন্তু আলো থেরাপি কোষের শক্তি উৎপাদন পুনরায় শুরু করে, কোষের মৃত্যুরোধ করে এবং আলো সংবেদনকারী প্রোটিনের পুনর্জন্মও উদ্দীপিত করে।

চিকিৎসার প্রক্রিয়া

রোগীরা দৈনিক মাত্র ৩ মিনিট হ্যান্ডহেল্ড ডিভাইস ব্যবহার করে এই আলো গ্রহণ করেন। ট্রায়ালে দেখা গেছে, ১২ সপ্তাহের মধ্যে ৬৮% রোগীর দৃষ্টি উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে — ছোট অক্ষর পড়া, রঙ আরও স্পষ্টভাবে দেখা এবং আগে অদৃশ্য থাকা বস্তু লক্ষ্য করা সম্ভব হয়েছে। এমনকি একজন রোগী, যিনি মাকুলার ডিজেনারেশনের কারণে অন্ধ ছিলেন, তিনি গাড়ি চালানোর জন্য উপযুক্ত দৃষ্টি ফিরে পেয়েছেন।

এই থেরাপি ১৯৬ মিলিয়ন মানুষের চোখের রোগের ক্ষেত্রে কার্যকর, যাদের জন্য বর্তমানে কোনো কার্যকর ওষুধ নেই। চিকিৎসার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই, এটি বাড়িতেই ব্যবহার করা যায় এবং ডিভাইসের খরচ ২০০ ডলারের কম। ২০২৪ সালে এই থেরাপির সুইস এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনুমোদন মিলেছে, এবং বিশ্বব্যাপী এটি উপলব্ধ হবে ২০২৫ সালে।

গবেষকরা বলছেন, এটি “আলোর মাধ্যমে চোখের দৃষ্টি রক্ষা” করার এক অনন্য উদাহরণ।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়