শিরোনাম
◈ ভারতে ডেটা সেন্টার খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী রবিন খুদা! ◈ জেল থেকে ফিরে নানা আলোচনার কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী, সরগরম চুনকা কুঠির ◈ মাদকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নাকি আইন হাতে তুলে নেওয়া? ভাইরাল গণপিটুনির ঘটনায় বিতর্ক ◈ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সেই ‘ডলার’কে নিয়ে ভিন্ন কথা বললেন রামিসার বাবা ◈ আদালতের ঐতিহাসিক রায়: ১৬ দিনে বিচার সম্পন্ন, রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত : ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০১:৩১ দুপুর
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

২০৩০ সালের মধ্যে প্রাণীর ভাষা বোঝার লক্ষ্য নিয়ে এআই প্রকল্প

‘আর্থ স্পেসিস প্রজেক্ট’ নামের একটি উদ্যোগ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে প্রাণীর জটিল শব্দ নিয়ে গবেষণা করছে। তাদের লক্ষ্য হলো যোগাযোগের একটি মৌলিক অভিধান তৈরি করা, যা মানুষ ও প্রকৃতির সম্পর্ককে সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে।

এই যুগান্তকারী উদ্যোগ ‘আর্থ স্পেসিস প্রজেক্ট’ নামে পরিচিত। এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় প্রাণীর যোগাযোগের রহস্য উন্মোচনে কাজ করছে।

গবেষকরা প্রাণীর সঙ্গে সরাসরি কথোপকথনের জন্য কোনো ‘অনুবাদক’ তৈরির পরিবর্তে, প্রাণীর যোগাযোগের একটি প্রাথমিক শব্দকোষ সংকলন করতে চান। এটি সংরক্ষণ কৌশলকে সহায়তা করবে এবং প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখবে।

এই প্রকল্পে জেব্রা ফিঞ্চ, হাওয়াইয়ের কাক এবং বেলুগা তিমি-সহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর শব্দ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে, যাতে তাদের যোগাযোগের ধরণ ও অর্থ শনাক্ত করা যায়।

বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন, ২০৩০ সালের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রাণীরা কীভাবে তথ্য আদান-প্রদান করে সে সম্পর্কে অভূতপূর্ব ধারণা দিতে পারবে। এর মাধ্যমে মানবজাতি প্রাকৃতিক জগতকে নতুনভাবে উপলব্ধি করতে পারবে এবং বিপন্ন প্রজাতি রক্ষায় নতুন পদ্ধতি খুঁজে পাবে।

এই উদ্যোগ সফল হলে মানুষ ও প্রাণীর মধ্যকার সম্পর্ক নতুন করে সংজ্ঞায়িত হতে পারে। তখন প্রাণী সংরক্ষণ কেবল একটি বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টা না থেকে প্রকৃতির সঙ্গে একটি সংলাপ হিসেবে গণ্য হবে। সূত্র: মেহর নিউজ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়