শিরোনাম
◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা!

প্রকাশিত : ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৮:৫৮ রাত
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাগদত্তা বেশি খাওয়ায় বিয়ে ভাঙলেন প্রেমিক

এক চীনা ব্যক্তি তার প্রাক্তন বাগদত্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন। ওই ব্যক্তির অভিযোগ, তার বাগদত্তা খুব বেশি খাবার খেতেন, যার কারণে সম্পর্কের সময় তিনি যে সমস্ত টাকা খরচ করেছেন, তা ফেরত দাবি করছেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জংলান নিউজ এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হংকং থেকে প্রকাশিত ইংরেজি দৈনিক সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট ৯ ডিসেম্বর আদালতে হওয়া একটি শুনানি নিয়ে খবর প্রকাশ করেছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে। হে নামের ওই ব্যক্তি তার প্রাক্তন বাগদত্তা ওয়াংয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় হে দাবি করেন, তার পরিবার ওয়াংয়ের পরিবারকে অগ্রিম যৌতুক হিসেবে ২০ হাজার ইউয়ান (২,৮০০ মার্কিন ডলার) দিয়েছিল এবং এই টাকা তিনি ফেরত চাইছেন।

এছাড়াও, সম্পর্কের সময় ওয়াংয়ের পেছনে আরও ৩০ হাজার ইউয়ান (৪,২০০ মার্কিন ডলার) খরচের দাবি জানান হে। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল কালো টাইটস এবং অন্তর্বাস, যা তিনি ওয়াংয়ের জন্য কিনেছিলেন।

উত্তর-পূর্ব চীনের হেইলংজিয়াং প্রদেশের হে এবং ওয়াং একে অপরকে একটি ঘটকের মাধ্যমে চেনেন এবং পরে বাগদান করেন। বাগদানের পর তারা উত্তর চীনের হেবেই প্রদেশে হের পরিবারের মালিকানাধীন একটি রেস্তোরাঁ চালাতে যান।

হে অভিযোগ করেন যে, ওয়াং প্রতি দিন তাদের রেস্তোরাঁর মালাতাং খাবার খেতেন, যা বিক্রির জন্য রাখা থাকত। এই কারণে তার পরিবার ওয়াংয়ের ওপর অসন্তুষ্ট ছিল।

এদিকে, আদালতে হে ওয়াংয়ের জন্য কেনা কিছু জিনিসের তালিকা পেশ করেন। তবে ওয়াং এর পাল্টা জবাব ছিল, “তুমি যে টাইটস আর অন্তর্বাস কিনে দিয়েছিলে, সেগুলো কি তুমি নিজে উপভোগ করতে না?”

অবশেষে, আদালত ৩০ হাজার ইউয়ান ফেরত দেওয়ার দাবি খারিজ করে দেয়, কারণ এগুলো ব্যক্তিগত জিনিস ছিল এবং উভয় পক্ষই সেগুলো থেকে আবেগীয় তৃপ্তি পেয়েছে। তবে, ২০ হাজার ইউয়ান যৌতুকের অর্ধেক টাকা ওয়াংকে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। এই রায় উভয় পক্ষই মেনে নেয়।

চীনে যৌতুক (ব্রাইড প্রাইস) একটি পুরোনো প্রথা, যেখানে বরের পরিবার কনের পরিবারকে উপহার হিসেবে একটি টাকা দেয়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রথা নিয়ে বিতর্ক বাড়ছে, অনেকেই এটিকে পুরনো এবং নারীদের পণ্য হিসেবে বিবেচনা করার অংশ হিসেবে দেখেন।

২০২১ সালে কার্যকর হওয়া চীনের সিভিল কোড অনুযায়ী, যদি বিয়ে না হয় বা স্বামী-স্ত্রী একত্রে বসবাস না করেন, তাহলে যৌতুকের টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি আদালত সমর্থন করতে পারে।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ইন্টারনেটে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, “যদি সে এত হিসাবি হয়, তাহলে মেয়েটিকে কেন বেতন দেয়নি?” আরেকজন লিখেছেন, “সে বউ নয়, একজন আয়া চাইছিল।” তৃতীয় একজন বলেছেন, “মেয়েটি ভাগ্যবান যে সে এমন সংকীর্ণমনা মানুষের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছে।”

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়