শিরোনাম
◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা!

প্রকাশিত : ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৭:১৭ বিকাল
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভূমধ্যসাগরের তলদেশে ১৬ শতকের প্রাচীন বাণিজ্য জাহাজের সন্ধান, মিলল শত শত নিদর্শন

ভূমধ্যসাগরের তলদেশে দেড় মাইলেরও বেশি গভীরে একটি প্রাচীন বাণিজ্য জাহাজের সন্ধান পেয়েছে ফরাসি নৌবাহিনী। জাহাজটিতে শত শত সিরামিকের (পোড়ামাটির) পাত্র ও থালা পাওয়া গেছে। গবেষকরা বলছেন, এই আবিষ্কার ইউরোপের শতাব্দীপ্রাচীন সমুদ্র বাণিজ্যের ইতিহাস বুঝতে বড় ভূমিকা রাখবে।

জাহাজটির নাম দেওয়া হয়েছে ক্যামারা ৪। এটি ফ্রান্সের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের রামাতুয়েল এলাকার কাছে, সাঁ-ত্রোপের উপকূলে পাওয়া যায়। চলতি বছরের মার্চ মাসে সমুদ্রতল পর্যবেক্ষণের সময় ফরাসি নৌবাহিনীর ক্যামেরায় প্রথম জাহাজটির অবয়ব ধরা পড়ে। পরে পরীক্ষা করে নিশ্চিত করা হয়, এটি ফরাসি উপকূলে পাওয়া সবচেয়ে গভীর জাহাজডুবির ঘটনা।

জাহাজটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৮ ফুট এবং প্রস্থ ২৩ ফুট। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রায় ১ দশমিক ৬ মাইল নিচে অবস্থান করছে। এর আগে ১৯৬৮ সালে ডুবে যাওয়া ‘লা মিনার্ভ’ নামের একটি সাবমেরিন ছিল ফ্রান্সের সবচেয়ে গভীর জাহাজডুবি।

জাহাজের ভেতর থেকে ছয়টি কামান, বড় দুটি পাত্র এবং একাধিক নোঙরের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে জাহাজের পেছনের অংশ (স্টার্ন) প্রায় ফাঁকা ছিল। এতে গবেষকদের ধারণা, মালামাল অস্বাভাবিকভাবে রাখা হয়েছিল। এর কারণেই জাহাজটি উল্টে গিয়ে ডুবে থাকতে পারে।

প্রায় ২০০টি সিরামিকের কলসি ও থালা খুব ভালো অবস্থায় পাওয়া গেছে। অনেক পাত্রে এখনো নকশা স্পষ্ট রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব পাত্র সম্ভবত ইতালির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল লিগুরিয়া অঞ্চল থেকে তৈরি হয়েছিল।

গবেষকরা ধারণা করছেন, জাহাজটি ১৬ শতকের। এটি সেই সময়ের বাণিজ্য, জাহাজ নির্মাণ পদ্ধতি ও সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেবে। এখনো পুরো জাহাজটি পরীক্ষা করা হয়নি। তাই সামনে আরও মূল্যবান নিদর্শন পাওয়ার আশাও করছেন প্রত্নতত্ত্ববিদরা।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়