শিরোনাম
◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা!

প্রকাশিত : ৩১ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৫ রাত
আপডেট : ১১ মে, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তুরস্কে ১,৬০০ বছরের প্রাচীন ওয়াইন তৈরির কারখানা উদ্ধার!

প্রত্নতাত্ত্বিক খনন সব সময় আমাদের মুগ্ধ করে। মাটির স্তর খুঁড়ে অতীতের গল্প খুঁজে পাওয়া মানেই যেন হারিয়ে যাওয়া সময়ের সঙ্গে কথোপকথন। কখনো মাটির পাত্রের টুকরা, কখনো মুদ্রা, কখনো বা প্রাচীন বসতির ধ্বংসাবশেষ। প্রতিটি নিদর্শনই নীরবে জানিয়ে দেয়—মানুষ একসময় এখানে ছিল।

সম্প্রতি এমনই এক অভিযানে প্রত্নতাত্ত্বিকেরা তুরস্কের খাদ্যসংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক চমকপ্রদ নিদর্শন আবিষ্কার করেছেন। দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ওয়েমাকলি গ্রামসংলগ্ন কাহতাহ দুর্গের কাছে তাঁরা খুঁজে পেয়েছেন ওয়াইন তৈরির প্রাচীন এক কারখানা।

আনাদোলু এজেন্সি ১৬ অক্টোবর এই আবিষ্কারের খবর প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, ওয়াইন তৈরির কারখানাটির বয়স প্রায় ১ হাজার ৬০০ বছর। প্রত্নতাত্ত্বিকেরা সেখানে আঙুর প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত স্থাপনা, পানি সংরক্ষণের জন্য জলাধার ও শক্তপোক্ত পেষণযন্ত্রও পেয়েছেন।

গবেষকেরা বলছেন, এই স্থাপনাগুলোর নকশা ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে পাওয়া রোমান যুগের মদের কারখানাগুলোর সঙ্গে আশ্চর্য রকমভাবে মিলে যায়। সে সময় হাতে বা কাঠের বিম দিয়ে পিষে আঙুরের রস বের করা হতো। পাথরের নালার ভেতর দিয়ে সেই রস গিয়ে পড়ত পাথরের তৈরি বড় পাত্রে। এরপর গাঁজন প্রক্রিয়ার জন্য বড় মাটির কলসিতে আঙুরের রস সংরক্ষণ করা হতো।

খননে পাওয়া স্থাপনার ভিত্তি দেখে ধারণা করা হচ্ছে, জায়গাটি চতুর্থ শতকের। সে সময় তুরস্কজুড়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছিল খ্রিষ্টধর্ম।

স্থানীয় জাদুঘরের পরিচালক মেহমেত আলকান জানান, অসম মাপের পাথরে নির্মিত হওয়া সত্ত্বেও স্থাপনাটির ভিত্তি ‘এখনো ভালোভাবে টিকে আছে, যা অবিশ্বাস্য’। সূত্র: আজকের পত্রিকা

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়