শিরোনাম
◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা!

প্রকাশিত : ১২ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৩৯ দুপুর
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে সিড়ি নিয়ে যাবে ৮৮ তলা ভবনের চেয়ে উঁচু পাহাড়ে! (ভিডিও)

চীনের দক্ষিণ-পূর্বের জিয়াংশি প্রদেশের লিংসান পর্বতে পর্যটকদের জন্য চালু হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ পাহাড়ি এস্কেলেটর, যা প্রকৌশলীরা 'ক্লাউড লেডার' বা 'মেঘের সিঁড়ি' নামে অভিহিত করছেন। এই অত্যাধুনিক ব্যবস্থা পর্যটকদের সরাসরি মেঘের রাজ্যে পৌঁছে দিচ্ছে, যেখানে চূড়ায় উঠতে আর কষ্ট করতে হবে না। সূত্র: আরটিভি নিউজ

দ্রুত আরোহণ: এই চলন্ত সিঁড়ির মাধ্যমে পাহাড় বেয়ে চূড়ায় ওঠার সময় কমে এসেছে। আগে যেখানে দুই ঘণ্টা সময় লাগতো, এখন মাত্র ১০ মিনিটেই পৌঁছে যাওয়া যায়।

উচ্চতা: এটি আটাশিতলা ভবনে উঠলে যতটা উচ্চতায় পৌঁছানো যায়, ঠিক ততটাই উঁচুতে নিয়ে যায় পর্যটকদের।

অপূর্ব দৃশ্য: পাহাড়ের গা ঘেঁষে ওঠার সময় দৃশ্যপট দ্রুত বদলাতে থাকে। দেখা মেলে সবুজ বন, ঝর্ণার শব্দ এবং নীল আকাশে ভেসে থাকা তুলোর মতো সাদা মেঘের। মুগ্ধ পর্যটকরা একে 'প্রকৃতি আর প্রযুক্তির এক মেলবন্ধন' বলে অভিহিত করেছেন।

সবার জন্য সুবিধা: এস্কেলেটরটিতে পাঁচটি ধাপে মোট ৫০টি চলন্ত সিঁড়ি সাজানো হয়েছে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো—বয়স্ক মানুষ, ছোট শিশু কিংবা প্রতিবন্ধীরাও সমানভাবে পাহাড়ের এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারছেন।

পর্যটন ব্যবস্থার প্রসার: চীনের পর্যটন মন্ত্রণালয় এই উদ্যোগকে 'সবার জন্য উন্মুক্ত ভ্রমণ ব্যবস্থার' (Accessible Tourism) এক বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।

ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ লিংসান পর্বতে ৭২টি চূড়া এবং ১৪৯৬ মিটার উঁচু প্রধান শৃঙ্গ রয়েছে। একসময় এটি তাওবাদ ও বৌদ্ধ ধর্মের সাধনাস্থল ছিল। আধুনিক এই মেঘের সিঁড়ি নির্মাণে খরচ হয়েছে ১২৭ মিলিয়ন ইউয়ান বা ২৭ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়