শিরোনাম
◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা  ◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ◈ ভালো ব্যাংকও রক্ষা পায়নি, ৬১ ব্যাংকের মধ্যে ৪৪টির অবস্থার অবনতি, বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণের পাহাড় ◈ ভারতে ডেটা সেন্টার খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী রবিন খুদা!

প্রকাশিত : ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৪ দুপুর
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শচীনের সঙ্গে তুলনা টেনে ‌বৈভব‌কে বড় সার্টিফিকেট দি‌লেন শ্রীকান্ত

স্পোর্টস ডেস্ক : বৈভব জ্বর ক্রমশ চড়ছে। তাঁকে দেশের জার্সিতে দেখার জন্য তর সইছে না ভারতের প্রাক্তনীদের। কয়েকদিন আগেই সূর্যবংশীকে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন শ্রেয়স আইয়ার। বলেন, 'বৈভব ভবিষ্যতের তারকা।' এবার তাঁকে দরাজ সার্টিফিকেট দেন কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত। তাঁকে অবিলম্বে ভারতীয় দলে নেওয়ার দাবি জানান কপিল দেবের এককালীন সতীর্থ। শ্রীকান্ত বলেন, সূর্যবংশী দুর্দান্ত সব শট খেলে। 

ছেলেটা অসাধারণ এবং অনবদ্য। ওকে দ্রুত জাতীয় দলে সুযোগ দাও অজিত। পরের সিরিজে ওর সুযোগ পাওয়া উচিত। প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকরের উদ্দেশে এই বার্তা দেন শ্রীকান্ত।অনেকেই মনে করছেন, বৈভবকে নিয়ে কোনও তাড়াহুড়ো করা উচিত নয়। ধীরে চলো নীতি নেওয়ার পরামর্শ দেয়। কিন্তু শ্রীকান্ত মনে করেন, অপেক্ষার দরকার নেই। 

সূর্যবংশী ম্যাচ উইনার। শ্রীকান্ত বলেন, আমার মনে হচ্ছে অবিলম্বে বৈভবকে ভারতীয় দলে নেওয়া উচিত। আরও সময় নেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। অনেক ধারাবাহিকতার পরীক্ষা হয়েছে। এই ছেলেটা ম্যাচ জেতানোর জন্য তৈরি।' সূর্যবংশীর ভয়ডরহীন ক্রিকেটের উল্লেখ করেন। যশপ্রীত বুমরা এবং জস হ্যাজেলউডের বিরুদ্ধে তাঁর ছক্কার প্রশংসা করেন। 

শ্রীকান্ত বলেন, বুমরার প্রথম বলেই ছয় মারে। কে বল করছে, সেই নিয়ে ও ভাবে না। শচীন টেন্ডুলকারের সঙ্গে আগে থেকেই তুলনা টানা হচ্ছে বৈভবের। তাঁকে দেখে মাস্টার ব্লাস্টারকে মনে পড়ছে শ্রীকান্তের। পুরোনো দিনের কথা মনে করালেন। শ্রীকান্ত বলেন, আমি ১৯৮৯ সালে যখন অধিনায়ক ছিলাম, শচীন টেন্ডুলকারের বয়স তখন ১৬ ছিল। এখন ও ক্রিকেটের ঈশ্বর। 
একইভাবে এই ছেলেটা ক্রিকেটের পরবর্তী উপদেবতা হতে পারে। অনবদ্য প্রতিভা ও ভবিষ্যতের তারকা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়