শিরোনাম
◈ বিশ্বকাপে নিয়ম না মেনে বাড়ির ছাদ, বারান্দা কিংবা জানালায় প্রিয় দেশের জাতীয় পতাকা উড়ালে ৪ লাখ টাকা জরিমানা! ◈ প্রবীণ রাজনীতিবিদ মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম গুরুতর অসুস্থ, সিসিইউতে চিকিৎসাধীন ◈ বিশ্বকাপ, যুক্তরা‌স্ট্রে নামতেই ৭ ঘণ্টা ধরে জেরা ইরা‌কের তারকা ফুটবলার আইমেন হো‌সেন‌কে ◈ সরকারি চাকরির বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের বেতন বাড়ল ◈ সংসদ সদস‌্যদের একসময় চাহিদা ছিল সড়ক ও সেতু, এখন চান বিশ্ববিদ্যালয়  ◈ বিশ্বকাপের আগে নতুন বিতর্ক, ইরানের ১৪ কর্মকর্তা ও স্টাফকে ভিসা দিলো না যুক্তরাষ্ট্র ◈ ইরানে ইসরাইলের পালটা হামলা, বাড়ছে উত্তেজনা ◈ ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ফিলিপাইন, সুনামির ঝুঁকিতে উপকূলীয় এলাকা ◈ পুশইন ঠেকাতে রাত জেগে সীমান্ত পাহারায় ৫ শতাধিক বাংলাদেশি ◈ ইরানের বিরুদ্ধে পালটা অভিযানে না যেতে নেতানিয়াহুকে অনুরোধ করবেন ট্রাম্প

প্রকাশিত : ২৩ মার্চ, ২০২৬, ০৯:৪১ সকাল
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চেলসির বয়সভিত্তিক দলে জাইমা রহমানের সুযোগ নিয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর স্পষ্ট মন্তব্য

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানের ফুটবল প্যাশন এবং চেলসির বয়সভিত্তিক দলে সুযোগ পাওয়া সংক্রান্ত সাম্প্রতিক আলোচনা নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার দেওয়া বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি প্রকৃত ঘটনা সংবাদমাধ্যমকে জানান।

আমিনুল হক জানান, জাইমা রহমান লন্ডনে স্কুল পর্যায়ে থাকাকালীন ফুটবল খেলতেন। সেই সূত্র ধরেই চেলসির বয়সভিত্তিক দলে গোলরক্ষক হিসেবে তার খেলার সুযোগ এসেছিল। দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই গোলরক্ষক বলেন, জাইমা রহমানের স্কুলে গোলকিপিং করার কথা তিনি খোদ প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকেই শুনেছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, স্কুলে থাকাকালীন চেলসির বয়সভিত্তিক দলে খেলার সুযোগ এলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান মেয়েকে লেখাপড়ায় মনোযোগী হতে বলেছিলেন। তারা দুজনই ক্রীড়াপ্রেমী হওয়া সত্ত্বেও মেয়েকে আগে পড়াশোনা শিখিয়ে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন।

নিজের বক্তব্যের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, জাইমা রহমান যখন মিরপুরে ক্রিকেট খেলা দেখতে গিয়েছিলেন, তখন গোলকিপিং নিয়ে তাদের মধ্যে স্মৃতিচারণমূলক কথা হয়। সেদিনের স্মৃতি টেনে আমিনুল হক বলেন, জাইমা রহমান তাকে বলেছিলেন, “আঙ্কেল, আমি কিন্তু স্কুলে আপনার মতো গোলরক্ষক ছিলাম।” মূলত জাইমা স্কুল পর্যায়ে কিপিং করতেন এবং লম্বা হওয়ায় এই পজিশনে তার বিশেষ দক্ষতা ছিল।

আমিনুল হক জোর দিয়ে বলেন যে, ইউরোপে স্কুলের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা প্রতিটি শিশুর বেড়ে ওঠার অংশ। জাইমা রহমানেরও খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা ছিল, তবে পরিবারের ইচ্ছায় তিনি শেষ পর্যন্ত শিক্ষাজীবনকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন। মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই তথ্যটি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় তিনি বিষয়টি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়