শিরোনাম
◈ বাংলাদেশে ৪৮০০ জনকে প্রত্যাবাসনের দাবি, নতুন তথ্য দিলেন শুভেন্দু ◈ অবহেলা, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ◈ ইসলামী ব্যাংকে আস্থার সংকট: পাঁচ দিনে ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন ৩৫০০ কোটি টাকা ◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার ◈ অস্ট্রেলিয়ার ভিসা ও চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে লাখো টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র, আবেদনকারীদের সতর্কবার্তা ◈ ব্যাংকিং খাতে নতুন শর্ত: নতুন ও পুরোনো হিসাবেও লাগবে টিআইএন, আসছে বাজেটে প্রস্তাব ◈ দেশের বিভিন্ন জেলায় ভুয়া কমিটি গঠন ও প্রচারের অভিযোগ, বিএনপির মিডিয়া সেলের সতর্কবার্তা ◈ ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট ◈ প্রতি মাসেই কিছু কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, আমিই তো ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করব : শিল্পোদ্যোক্তা একে আজাদ (ভিডিও) ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, আসছে নতুন বেতন কাঠামো, বাজেটে বরাদ্দ ৩৫ হাজার কোটি!

প্রকাশিত : ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:৪৬ দুপুর
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অসম্মান থেকেই ক্রিকেট ছেড়েছিলেন! অবসরের ৭ বছর পর মুখ খুললেন যুবরাজ সিং

স্পোর্টস ডেস্ক : তাঁকে ছাড়া অসম্ভব ছিল বিশ্বকাপ জয়। শরীরে মারণ ক্যানসার নিয়েও ২০১১ সালে ভারতকে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন যুবরাজ সিং। টুর্নামেন্টের সেরা ক্রিকেটারও হয়েছিলেন। সেই যুবরাজ পেশাদার কেরিয়ারের শেষ পর্যায়ে এসে ক্রিকেটকে উপভোগ করছিলেন না। অসম্মানিতও হয়েছিলেন। সেই হতাশা থেকেই অবসর নিয়েছিলেন। খেলা ছাড়ার ৭ বছর পর এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন তিনি।

২০১৯ সালের জুনে অবসর নিয়েছিলেন ভারতীয় অলরাউন্ডার। ওয়ানডে বিশ্বকাপ দলে সুযোগ না পেয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তো বটেই, আইপিএল থেকেও সরে দাঁড়ান। সানিয়া মির্জার পডকাস্টে যুবরাজ বলেন, ক্রিকেট থেকে আনন্দ পাচ্ছিলাম না। 

বারবার মনে হচ্ছিল, যখন আমি উপভোগই করতে পারছি না, তখন কেন খেলছি? তাছাড়াও কোনও সমর্থন পাচ্ছিলাম না। নিজেকে অসম্মানিত মনে হচ্ছিল। এগুলোই যখন আমার কাছে নেই, তখন খেলা চালিয়ে যাব কেন? ---- সংবাদপ্রতি‌দিন

কার কাছ থেকে তিনি সমর্থন পাননি বা অসম্মানিত হয়েছিলেন, তা জানাননি যুবি। যুবরাজের সংযোজন, “যা উপভোগই করছি না, তাকে আঁকড়ে ধরে থাকার কোনও অর্থ খুঁজে পাইনি। বারবার নিজেকে প্রশ্ন করেছি, কী প্রমাণ করার জন্য খেলছি? সেই সময় মানসিক বা শারীরিকভাবে বাড়তি কিছু দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। এটাই আমাকে কষ্ট দিচ্ছিল। তবে যেদিন খেলা ছাড়লাম, সেদিনই যেন নিজেকে ফিরে পেয়েছিলাম।

একটা সময় নভজ্যোৎ সিং সিধু যুবরাজের প্রতিভা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। “তাঁর কাছে হয়তো আমাকে ঠিকমতো বিচারের জন্য সময় ছিল না। উনি কেবল আমার বাবার সঙ্গে সখ্যতা রেখেছিলেন। সেই সময় তিনি ভারতের হয়ে খেলছেন। 

আর আমার বয়স তখন ১৩ বা ১৪। সবেমাত্র খেলাটাকে বোঝার চেষ্টা করছি। ওই মন্তব্য গায়ে না মাখলেও বাবা সেটা ভালোভাবে নেননি। বলেছিলেন, ‘কীভাবে ক্রিকেট খেলতে হয়, তা তোকে শেখাচ্ছি’। বলছেন ভারতের হয়ে জোড়া বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়