শিরোনাম
◈ ‘অনেক হয়েছে, এবার শেষ করা যাক’: সরাসরি সম্প্রচারে মেজাজ হারালেন ট্রাম্প, সাক্ষাৎকার ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন ◈ বাজেট ২০২৬-২৭: উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেলে টিআইএন, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৪৮০০ জনকে প্রত্যাবাসনের দাবি, নতুন তথ্য দিলেন শুভেন্দু ◈ অবহেলা, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ◈ ইসলামী ব্যাংকে আস্থার সংকট: পাঁচ দিনে ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন ৩৫০০ কোটি টাকা ◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার ◈ অস্ট্রেলিয়ার ভিসা ও চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে লাখো টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র, আবেদনকারীদের সতর্কবার্তা ◈ ব্যাংকিং খাতে নতুন শর্ত: নতুন ও পুরোনো হিসাবেও লাগবে টিআইএন, আসছে বাজেটে প্রস্তাব ◈ দেশের বিভিন্ন জেলায় ভুয়া কমিটি গঠন ও প্রচারের অভিযোগ, বিএনপির মিডিয়া সেলের সতর্কবার্তা ◈ ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট

প্রকাশিত : ০৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:০৫ দুপুর
আপডেট : ২৮ মে, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অ‌স্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার খাজা বললেন, আমি গর্বিত মুসলিম 

স্পোর্টস ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন উসমান খাজা। অ্যাশেজের শেষ টেস্ট খেলার পর ব্যাড-প্যাড তুলে রাখবেন পাকিস্তানি বংশোদ্ভুত এ অজি ক্রিকেটার। অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম কিংবদন্তি ক্রিকেটার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন খাজা।

অথচ অজিদের হয়ে খেলার জন্য অনেক বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করতে হয়েছে তাকে। ক্যারিয়ারে অনেকটা সময় বণবাদী আচরণের স্বীকার হতে হয়েছে খাজা ও তার পরিবারকে। তারপরও দমে যাননি খাজ। বরং নিজেকে অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছেন তিনি। ---- ডেই‌লি ক্রিকেট

আগামী রোববার সিডনি টেস্ট হবে খাজার অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে শেষ ম্যাচ। তার আগে আজ সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন এ ব্যাটার। সেখানেই ক্রিকেটের প্রসঙ্গ ছাপিয়ে নিজের সাথে ঘটে যাওয়া বর্ণবাদী আচরণ নিয়েই কথা হলো বেশি।

খাজা বলেন, ‘আমি একজন গর্বিত মুসলিম, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ছেলে, যাকে বলা হয়েছিল সে কখনো অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট দলের হয়ে খেলতে পারবে না। এখন আমাকে দেখুন—আপনিও এখন আমার মতো একইরকম করতে পারেন।’

খুব ছোটবেলায় ইসলামাবাদ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসী হন খাজা। তারপর নানা বাধা বিপত্তির পর অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের হয়ে সুযোগ পান তিনি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ফর্মটা তার ভালো যাচ্ছিল না। 

সেই সাথে মন্ডাই বিচে হামলার পর  অস্ট্রেলিয়ায় ‘ইসলামফোবিয়া’ ও ‘অ্যান্টি-ইসলাম’ মনোভাব হঠাৎ করেই বেড়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে খাজার ওপরেও। তার প্রতি অস্ট্রেলিয়ানদের ক্ষোভ অনেকটাই বেড়ে যায়। এছাড়াও ফিলিস্তিনিদের হয়ে কথা বলায় অনেকের বিরাগভাজন হন খাজা। তারপরও অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলায় নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন খাজা।

তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় অনুভূতি হলো সন্তুষ্টি। আমি খুব ভাগ্যবান যে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে এত ম্যাচ খেলতে পেরেছি, যেভাবে করেছি। আশা করি, এই পথে আমি অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে পেরেছি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়