শিরোনাম
◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা  ◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ◈ ভালো ব্যাংকও রক্ষা পায়নি, ৬১ ব্যাংকের মধ্যে ৪৪টির অবস্থার অবনতি, বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণের পাহাড় ◈ ভারতে ডেটা সেন্টার খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী রবিন খুদা!

প্রকাশিত : ২৭ মার্চ, ২০২৬, ০৬:৪৪ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

এমন কিছু করা উচিত নয়, যা মুক্তিযুদ্ধের গৌরবকে খাটো করে: প্রধানমন্ত্রী

মনিরুল ইসলাম : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, অতীত নিয়ে পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, আর অতীত ভুলে গেলে দুই চোখ অন্ধ। গত ১৭ বছরে অতীত নিয়ে এত নড়াচড়া হয়েছে যে এতে দেশের মূল ইতিহাস ঢাকা পড়ে গেছে।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এমন কোনো আলোচনা-সমালোচনা করা ঠিক হবে না, যা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে খাটো করে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের অন্যতম চরিত্র শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা দেখেছি অতীতে জিয়াউর রহমানকে ও দেশের জন্য তার অবদানকে নানাভাবে খাটো করার চেষ্টা করা হয়েছে। এ থেকেই প্রমাণিত, জিয়াউর রহমান দেশের মুক্তিযুদ্ধে একজন অনিবার্য চরিত্র।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের আকাঙ্ক্ষা সীমাহীন হলে আমাদের সম্পদে সীমাবদ্ধতা আছে। কিন্তু আমরা যদি একসঙ্গে লড়াই করি তবে দেশের যেকোনো পরিস্থিতি সামাল দিতে পারব।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের যে গৌরবগাঁথা আছে তা নিয়ে আলোচনা হবে, এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে আলোচনা-সমালোচনা ও গবেষণার নামে এমন কোনো কিছু করা ঠিক হবে না, যা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে খাটো করে।

তিনি বলেন, ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ শহিদ জিয়ার লেখা ‘একটি জাতির মুক্তি’ প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়। সেসময় মুক্তিযুদ্ধ মাত্র শেষ হয়েছে। তখন একজন মুক্তিযোদ্ধাও এ বইয়ের কোনো বিষয় নিয়ে বিরোধিতা করেন নাই। এতেই প্রমাণ হয় শহীদ জিয়া দেশের মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য চরিত্র।

এর আগে দুপুর ৩টায় পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াতের মাধ্যে দিয়ে স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা শুরু হয়। দোয়া পরিচালনা করেন জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা নেসারুল হক।

স্বাধীনতা দিবসের এই আলোচনা সভায় বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ। সভাপতিত্ব করেন বিএনপির মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়